ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে মৌলভীবাজারের এসপিকে প্রত্যাহার
ফ ইসব ক আল চন র মধ – ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে সরকার কর্তৃক মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি কয়েক দিন আগে জেলার কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। ফেইসবুকে আলোচনার পর সরকার তাকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করেছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই পদে আসা নতুন কর্মকর্তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রত্যাহার কর্মকর্তা নিয়ে ফেইসবুকে আলোচনা তৈরি হয়েছিল যা তাদের প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষকে চাপ দিয়েছে। তবে ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং স্পষ্টতা দেওয়া হয়নি কোনো স্পষ্ট কারণের বিষয়ে।
আগের পদায়ন ও বিতর্ক
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম কয়েক মাস আগে ওই পদে আসেন। তখন তার সাথে অনেক অভিযোগ ছিল, কিন্তু তিনি ঘুষ দিয়ে পদায়ন নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে তার আলোচনায় এমন একটি দৃশ্যমান আলোচনা হয়েছিল যে তাকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে সেই পদে যে আসেন নতুন কর্মকর্তা কয়েক দিন আগে নিয়োগ করা হয়েছিল।
আইজিপি আদেশ ও প্রক্রিয়া
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলামের প্রত্যাহারের আদেশ মো. আলী হোসেন ফকির কর্তৃক জারি করা হয়েছে। তিনি স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলেছেন, ‘আপনি মৌলভীবাজার জেলার পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্বভার অর্পণ করে ১৬ মে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকায় রিপোর্ট করবেন।’ এই আদেশ প্রক্রিয়া হিসেবে আগে থেকে কয়েকটি পদায়ন সরানো হয়েছিল। যেমন পঞ্চগড়ের এসপিকেও ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আর ফেনীর এসপিকে কোনো কারণ না বলে সরকার তাকে বের করেছে।
পঞ্চগড় ও ফেনী পদায়ন প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া
ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তার এসপি হিসেবে পদায়নের পর তার বিরুদ্ধে অতীত দুর্নীতির অভিযোগ বেশ কয়েকটি উঠেছিল। আর ফেনীর এসপি মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এই কারণে তার প্রত্যাহার করা হয়। গত দুদিনে ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে মৌলভীবাজারের এসপিকে প্রত্যাহারের আদেশ বের হয়।
মৌলভীবাজারের এসপিকে প্রত্যাহারের ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে বিতর্ক বিস্তার লাভ করে। তিনি ঘুষ দিয়ে এসপি হিসেবে পদায়ন নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল এবং ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে তার দায়িত্বভার পরিশোধ করছিলেন না বলে আলোচনা উঠেছিল। এই পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকার কোনো স্পষ্ট কারণ বলেনি। তবে সেই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে যে তিনি কতটা পারদর্শী ছিলেন।
সরকার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিয়েছে যে ফেইসবুকে আলোচনার মধ্যে কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। প�