Bangladesh

গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ: ১০ ঘণ্টার অভিযানে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার | সংবাদ

গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ: ঘটনার ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন গজ র য় য় ক শ র - গজারিয়ায় একটি চোখ নেভানো ধর্ষণ ঘটনার পর অপরাধী সাজিদ (১৭) নামে এক

Desk Bangladesh
Published July 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ: ঘটনার ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন

গজ র য় য় ক শ র – গজারিয়ায় একটি চোখ নেভানো ধর্ষণ ঘটনার পর অপরাধী সাজিদ (১৭) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশ উপজেলার স্থানীয় এলাকায় উদ্যোগ নেয়। কিশোরীটি ধর্ষণের ফলে দুই মাসের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে গজারিয়া থানার পুলিশ উদ্যোগ নেয় এবং আত্মগোপনে থাকা সাজিদকে গ্রেপ্তার করার জন্য রাতে একটি অভিযান চালিয়ে যায়। এই অভিযানের ফলে অপরাধী সাজিদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

ধর্ষণের ঘটনা এবং পরিবারের অভিযোগ

গজারিয়া উপজেলার পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে ঘটে গেছে এই অপরাধ। অভিযুক্ত সাজিদ হলেন নয়াকান্দি গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে। তিনি ধর্ষণের কারণে কিশোরীটিকে দুর্বল অবস্থায় গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করেন। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, কিশোরীটি প্রতিবেশী সাজিদের লালসার শিকার হয়ে পড়েছিল। ধর্ষণের সংঘটনার পর স্থানীয় মহল এই অপরাধের প্রতি বিনিময়ে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হয়। কিশোরী পরিবারের আশ্রয় নেয় এবং ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এই মামলা দায়েরের পর গজারিয়া থানার পুলিশ আত্মগোপনে থাকা সাজিদকে খুঁজতে উদ্যোগ নেয়।

অপরাধী গ্রেপ্তার এবং বিস্তারিত তথ্য

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে গজারিয়া থানার পুলিশ উপজেলার স্থানীয় এলাকায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সাজিদকে গ্রেপ্তার করে। সাজিদ এই ঘটনার পর বিস্তারিত কৌশলে কিশোরীকে গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করে। অভিযুক্ত সাজিদের পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তারের পর তার জেল হাজত হয়েছে। গজারিয়া থানার তদন্ত পরিদর্শক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, “মামলা হওয়ার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত সাজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” এই গ্রেপ্তারের ফলে ঘটনার প্রতি ক্ষুব্ধ পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিক্রিয়া দেয়। তারা বলেন যে অপরাধী জড়িত এবং ঘটনার কৌশলিক ঢাকনা খুলে দেওয়ার জন্য তদন্ত চাই।

ধর্ষণ ঘটনার পর কিশোরীটি দুর্বল অবস্থায় পড়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে কিশোরীটি ধর্ষণের ফলে তার শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়েছে। পরিবারটি ধর্ষণের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে থানার আশ্রয় নেয়। সাজিদ একটি প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিল, তিনি ঘটনাটি কৌশলিক ভাবে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন। গজারিয়া উপজেলার এলাকায় পুলিশ গুপ্তচর প্রতিবেশী করে অভিযুক্তকে খুঁজে বার করে। এই অভ

Leave a Comment