Bangladesh

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ১০ প্রাণহানি, সতর্কতা জারি

কক্সবাজারে ধস দুর্ঘটনায় দশ প্রাণ হারানো, সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে বৃষ্টি ও ধসের কারণ কক সব জ র প হ ড় - কক্সবাজার জেলায় পাহাড় ধসে কমপক্ষে দশ জন মানুষের মৃত্যু

Desk Bangladesh
Published July 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কক্সবাজারে ধস দুর্ঘটনায় দশ প্রাণ হারানো, সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে

বৃষ্টি ও ধসের কারণ

কক সব জ র প হ ড় – কক্সবাজার জেলায় পাহাড় ধসে কমপক্ষে দশ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কারণ নির্ণয়ের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তারা তদন্ত চালাচ্ছেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং সমুদ্রসৈকত অঞ্চলে গত কয়েকদিনে তীব্র বৃষ্টি দেখা দিয়েছে, যা জমাট বাঁধা ভূমি ও পাহাড়ের ভারসাম্য বিপর্যয়ের কারণ হয়েছে। সামুদ্রিক অঞ্চলে ধস দুর্ঘটনার প্রতিদ্বন্দ্বী সংখ্যার সাথে সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যেটি আপদ কারণে সমস্যা তৈরি করেছে।

সতর্কতা জারি এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি

আবহাওয়া অধিদপ্তর তথা স্থানীয় আধিকারিকদের দ্বারা বৃষ্টির তীব্রতা ও ধস দুর্ঘটনার আশংকার কারণে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কক্সবাজার জেলায় ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা পূর্বের মধ্যম পরিমাণের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি। তবে সতর্কতা ছাড়া মানুষ সমুদ্রসৈকতে পর্যটন করতে আগ্রহী থাকায় এই প্রাণহারণকারী পরিস্থিতি আরও গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিকটে ধস ঘটে। মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন রোহিঙ্গা মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ধস ঘটার সময় কক্সবাজার জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজন আরও সতর্ক হতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কক্সবাজারে ধস দুর্ঘটনা হয়েছে যখন পাহাড়ের পাদদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিকটে অস্থিতিশীল ভূমি গুরুতর ভারসাম্য হারিয়েছে। মৃতদের মধ্যে দশ জন ছিলেন অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। ধস ঘটার আগে থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা বৃষ্টির কারণে ধস দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বুঝতে পেরেছিলেন। তবে কিছু ব্যক্তি প্রাণহারণকারী পরিস্থিতি আগ্রহী হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সামগ্রিক প্রভাব ও বর্তমান অবস্থা

কক্সবাজারে ধস দুর্ঘটনার ফলে আরও প্রায় এক হাজার লোক প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাময়িক প্রাণপ্রতিষ্ঠা স্থানে পুনর্বাসন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজন নিজেদের পরিবার সহ নুন ও জল সরবরাহের ব্যবস্থা করছে। অনেকে সমুদ্রসৈকতে পর্যটন করতে আগ্রহী থাকায় ধসে বিপর্যয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ধস দুর্ঘটনার ফলে কক্সবাজার জেলার সমুদ্রসৈকতে বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়

Leave a Comment