চাঁদপুরে পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন ডিসি
পর চয়হ ন নবজ তক র দ – পর চয়হ ন নবজ তক র দ ও পরিচয়হীন শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। গত শুক্রবার রাতে সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অসহায় অবস্থায় পরিচয়হীন এক কিশোরী নবজাতকের দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার সূত্র হয়ে উঠেছে। পরিচয়হীন মা ও শিশু দুজনের জন্য নিরাপত্তি দিয়েছেন ডিসি আহমেদ জিয়াউর রহমান, যিনি শিশুটির স্বাস্থ্য ও পরিচর্যার খোঁজ নিয়েছেন। এই ঘটনা সারা জেলার মানুষের মধ্যে ভারসাম্যহীন শিশুর প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে এবং কন্যাশিশুর দায়িত্ব গ্রহণ করার ঘটনার জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন পরিচয় সৃষ্টি করেছে।
মামলার প্রাথমিক পরিচয়
গত শুক্রবার রাতে চাঁদপুরের সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এক কিশোরী নবজাতকের মাতৃগৃহে স্থাপিত পরিচয়হীন শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। বাবার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে কিশোরীটি দীর্ঘকাল ধরে হাসপাতালের দুর্দশা ও পরিচয়হীন মা শিশু দুজনের সমস্যার পরিচয় নেওয়া হয়েছে। পরিচয়হীন মা কিশোরী শাহনাজ বেগম হাসপাতালের সামনে অসহায় অবস্থায় ছিলেন এবং তাকে সহায়তা করে স্বাস্থ্য সেবা সরবরাহ করেছেন ডিসি। পরিচয়হীন শিশুর প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে ডিসি তাদের কন্যাশিশু দুজনকে বর্তমানে সুস্থ করে তুলেছেন।
পরিচয়হীন কিশোরী কন্যাশিশুর দায়িত্ব গ্রহণের ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। তার পর ডিসি আহমেদ জিয়াউর রহমান সামনে আসেন এবং কন্যাশিশু ও মাতার পরিচয় নিয়ে তদন্নী করেন। সরকারি হাসপাতাল ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে পরিচয়হীন মা ও শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিচয়হীন শিশু ও মাতৃগৃহে তাদের স্বাস্থ্য পরিচর্যা নিশ্চিত করতে ডিসি বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছেন।
পরিচয়হীন শিশুর জন্য প্রতিক্রিয়া ও পরিকল্পনা
পরিচয়হীন কিশোরী ও তার শিশু দুজনের জন্য স্থানীয় সরকার ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া আলোচনা করছে। ডিসি আহমেদ জিয়াউর রহমান পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই ঘটনার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। পরিচয়হীন মা ও শিশু দুজনকে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য তদন্নী করা হয়েছে। অনেক ব্যক্তি এবং সংগঠন পরিচয়হীন শিশু দুজনের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন।
“পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। শিশুটি ও মা দুজনের জন্য আইনী প্রক্রিয়া পূরণ করা হবে এবং কন্যাশিশুর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।”
ডিসি আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেছেন। তিনি পরিচয়হী