নিরাপদে রাখতে গ্রামে পাঠিয়েও রক্ষা পেল না শিশু, গ্রেপ্তার
ন র পদ র খত গ র – নিরাপদে রাখতে গ্রামে পাঠিয়েও রক্ষা পেল না শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। নওগাঁয় আত্রাই উপজেলার বারুনীতলা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কাজ করা আতিকুর রহমান সুজার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম জানান যে, মামলার সূত্রে শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে। তিনি ঘটনার পর আসামিকে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং আদালতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শিশু গ্রামে পাঠানোর পেছনে কারণ ও ঘটনার পরিচয়
বারুনীতলা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী আতিকুর রহমান সুজা এই শিশু নিরাপত্তা ঘটনার পর সামনে আসে। অভিযুক্তের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে যে, শিশুটির বাবা-মা ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তারা নিরাপত্তা প্রাপ্তির আশায় শিশুটিকে গ্রামে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রামে পাঠানোর পরও শিশু নিরাপদে থাকেনি। তাকে নিরাপদে রাখতে গ্রামে পাঠিয়েও রক্ষা পেল না শিশু ঘটনায় স্থানীয়দের আপত্তি হয়।
পুলিশ অনুসারে, শিশুটি বৃহস্পতিবার ঔষধ নিতে কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়েছিল। সেখানে আতিকুর রহমান সুজা শিশুটিকে একটি ঘরে বন্ধ করে ধর্ষণ করেন। ঘটনার সময় তার সঙ্গে ছিল ৪ বছর বয়স্ক ছোট ভাই। চিৎকার শুরু হওয়ার পর আতিকুর শিশুটিকে ছেড়ে দেন। তবে সে নিরাপত্তা প্রাপ্তির সাথে আত্মবিশ্বাস হারিয়েছে।
নিরাপত্তা বিষয়ে স্থানীয় সমাজের প্রতিক্রিয়া
বারুনীতলা এলাকায় শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মামলার পর গ্রামে পাঠানো সত্ত্বেও শিশু নিরাপদে রাখতে গ্রামে পাঠিয়েও রক্ষা পেল না শিশু ঘটনার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালায়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর এলাকার মানুষ মানববন্ধন করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। সেই সাথে নিরাপত্তা বিষয়ে স্থানীয় সমাজ ঘটনার সংকট সমাধানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে।
আত্রাই থানার কর্মকর্তারা জানান যে, শিশু নিরাপত্তা ঘটনার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশ কার্যক্রম সম্পর্কে তদন্ন করেছেন। তিনি নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছেন যার ফলে ঘটনার নিকট আরও গুরুতর হওয়া সম্ভব। তবে সেই পরিচয় বারুনীতলা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে নিরাপত্তা প্রাপ্তির আশা ছিল।
স্থানীয়দের মতে, গ্রামে পাঠানো শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়। তারা নিরাপদে রাখতে গ্রামে পাঠিয়েও রক্ষা পেল না শিশু ঘটনার জন্য দাবি করেন। পুলিশ ঘটনার বিচার