প্রধানমন্ত্রী সমতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা নিশ্চিত করছেন
বাংলাদেশ ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্পর্ক
সমত ও ভ রস ম য র – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমতা ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব বৃদ্ধি করছেন। চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জানান। এই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠা উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে, যাতে সমতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিস্তার করা সম্ভব হয়।
প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাধীনতা ও সমতা নিশ্চিত করার জন্য। তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারপ্রধান হিসেবে প্রতিপাদ্যে এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শনীয় উপস্থাপনা করছেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সমতা ও ভারসাম্যের বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য রয়েছে।
সম্মেলনের কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান উন্নয়ন রয়েছে। তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে প্রধানমন্ত্রী সমতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছেন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক সমৃদ্ধতার মূল্য বৃদ্ধির প্রচেষ্টা উপস্থাপন করা হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আলোইস জুইংগি প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান প্রকল্পগুলো ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। সমতা ও ভারসাম্য বিষয়ে আলোচনা করে বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের বিশ্ব দরবারে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
“বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সমতা ও ভারসাম্য কার্যক্রম আমাদের স্থিতিশীলতা ও আর্থিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে। সমতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে সম্প্রসারণ ঘটেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের স্থিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
তারেক রহমান বলেন, আগামী দিনগুলোতে সমতা ও ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য সমতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে নীতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিকল্পনার মাধ্যমে বিশ্ব সম্পর্ক বিস্তারে সমর্থন পাওয�