Bangladesh

গহিন পাহাড়ে জিম্মি ৪ তরুণ উদ্ধার

b9b5a2c1-a94e-438c-8c66-c25c45f91485-0

গহিন পাহাড়ে চার তরুণকে উদ্ধার করা হয়েছে

Banglabeacon.com – গহ ন প হ ড় জ ম – কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি আস্তানা থেকে র‍্যাব এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে চার তরুণকে জিম্মি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন রাতে ফেনী থেকে টেকনাফে বেড়াতে আসা এমাম হোসেন জিসান ও তহিদুল ইসলাম তামিম নিখোঁজ হন। তাদের পরিবার দ্বারা জিডি ফাইল করা হয় এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণকারীদের অবস্থান খুঁজতে জাতীয় স্তরে অভিযান চালু হয়।

অপহরণকারীরা তাদের পরিবারের কাছে প্রতি জন পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে মোট দুই কোটি টাকা মুক্তিপণ চাইছিল। জিম্মি উদ্ধার ঘটে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকায়। বাহিনী আস্তানার চারপাশে ঘেরাও করে অপহরণকারীদের পালিয়ে যাওয়া দেখা যায়। পরবর্তী অপেক্ষাকৃত প্রস্তুত তল্লাশিতে তাদের জীবিত অবস্থায় জেনে পাওয়া হয়।

আটকে রেখেছিল অপহরণকারীদের সংঘবদ্ধ চক্র

র‍্যাব জানায়, গত ২৬ জুন রাতে দুই তরুণ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর তাদের পরিবার দ্বারা একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। তারপর প্রযুক্তি ব্যবহারে অপহরণকারীদের সংঘবদ্ধ চক্র খুঁজে বার করা হয়। তারা চার জনকে টেকনাফের গহিন পাহাড়ে আটকে রেখেছিল। পরিবার সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল যদি উদ্ধার করা হত না।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান, উদ্ধার করা হয়েছে চার তরুণকে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপহরণকারীদের মূল হোতা ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তরুণরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে অপহরণকারীদের হাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। পরিবার থেকে অপেক্ষাকৃত মুক্তিপণ দাবি প্রাপ্ত হওয়ার পর বাহিনী ঘটনার তদন্না করেছে। নিখোঁজ হওয়া তরুণদের পুনরুদ্ধার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য প্রয়োগ করা হয়।

আটকে রেখেছিল পাহাড়ি আস্তানায় চার তরুণকে। জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বাহিনী তাদের কাছে পৌঁছে সম্পূর্ণ কর্মসূচি পূরণ করে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় অপহরণ চক্রের মূল হোতা ও তার সহযোগীদের খুঁজতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *