ইতালিতে নোয়াখালীর একই পরিবারের তিন সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন
ইত ল ত ন য় খ ল – ইতালি নয়াখালী ল – রোমের ক্যাসালোত্তি ভিয়া মন্তিলিও এলাকায় শুক্রবার রাতে একটি নৃশংস হত্যার ঘটনা ঘটে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কামাল উদ্দিন বাবুল (৪০), তার স্ত্রী আরজু বেগম (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা ছুরির আঘাতে মৃত্যুর পর আহত হন। এই ইতালি নয়াখালীর পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু ঘটে বাসায় ঢুকে পড়া দুর্বৃত্তদের দ্বারা।
হত্যার পরিস্থিতি ও গুরুত্ব
ইতালি নয়াখালী ল এলাকায় ঘটে এই ঘুটনা স্থানীয় লোকজনকে প্রচণ্ড আক্রমণের স্মৃতি জাগিয়েছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতে কামাল বাবুলের ছেলে অয়ন বাইরে থেকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘরে প্রবেশ করেন। তার চিৎকারে স্থানীয় বাসিনদের মাঝে সংঘটন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় এবং স্থানীয় মানুষ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। ইতালি নয়াখালীর স্থানীয় কর্মকর্তারা ঘটনার সাক্ষীদের সাথে আলোচনা করে হত্যার কারণ খুঁজছেন।
নিহত কামাল উদ্দিনের স্বজন আফনান হোসেন নাইম জানান, শুক্রবার রাতে তাদের বাসায় ঢুকে পড়া দুর্বৃত্তরা কামাল বাবুল ও তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি ছুরির আঘাত করে। ছেলে অয়ন পালিয়ে আসার সময় দুর্বৃত্তদের হামলার কারণে আহত হন। কামাল বাবুলের স্ত্রী আরজু বেগম ও ছোটো মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশার মৃত্যু ঘটে। ইতালি নয়াখালী ল ঘটনার পর স্থানীয় বাসিনদের মাঝে শোক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের কোনও ব্যক্তি সেখানে ঘটনার সাক্ষী হিসাবে প্রকাশ করেন।
ইতালি নয়াখালী ল এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ দ্রুত দেশে আনার দাবি জানায়। তাদের প্রতিনিধি বিদেশের মাটিতে হত্যার বিচার চাইছেন। ঘটনার পর নিহত সদস্যদের আবেদনপত্র প্রেরণ করা হয়েছে ইতালি সরকারের পুলিশ বিভাগকে। এই ইতালি নয়াখালীর ঘটনা সামগ্রিকভাবে এলাকার মানুষের মন ভারী করেছে।
হত্যার কারণ ও পরিবারের সম্পর্ক
ইতালি নয়াখালী ল ঘটনার কারণ খুঁজতে স্থানীয় কর্মকর্তারা ক্রমাগত তদন্ন চালাচ্ছেন। কামাল বাবুল ও তার পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে বিশেষ করে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার্তা প্রেরণ করা হচ্ছে। নিহত কামাল বাবুল একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তার স্ত্রী ও মেয়ে এ বাসায় স্থায়ী ছিল। তাদের কাছে ঘটনা ঘটার পেছনে কোনও প্রতিবেদন বা আতঙ্কের বিষয় আছে কিনা তা অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
ইতালি নয়াখালী ল এ ঘটনার পর নিহতদের মরদ