ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি: ভূমিকম্পের পরিণতি এবং সরকারি বিপর্যস্তি
ভ ন জ য় ল য় জর – ভেনেজুয়েলার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরে, যার কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল। গতকাল বুধবার (২৪ জুন) দুই ভূমিকম্পের মধ্যে কেবল ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধান ছিল, যার ফলে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিপর্যস্তির ছায়া ছাড়া থাকেনি। প্রথম ভূমিকম্পটি ৭ দশমিক ২ মাত্রার এবং দ্বিতীয়টি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ছিল। বুধবার দেশে সরকারি ছুটির দিন ছিল, যার পর একাধিক ভবন এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে সরকারি সহায়তা প্রবাহিত হবে।
ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি: রাজধানী কারাকাস এবং কাতিয়া লা মারে স্থিতিশীলতা হারাল
ভেনেজুয়েলার জরুরি অবস্থার কারণ হিসাবে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ইউএসজিএস তার বিবৃতিতে জানায়, ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং দুর্যোগ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। সিএনএন-এর জিওলোকেশন করা ভিডিওতে ভেনেজুয়েলায় বিভিন্ন স্থানে বিপর্যস্তির স্থিতি অনুমান করা হয়েছে। রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারে প্রায় দুই দিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। মূলত এই অঞ্চলগুলো ভেনেজুয়েলার তেল শোধন কেন্দ্র এবং পরিবহন সূত্রগুলো অবস্থিত। বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে প্রাণহানি ও প্রাণীহানির সংখ্যা সম্পর্কে অনিশ্চিততা রয়েছে, যদিও সরকারি আনুমান অনুযায়ী তার প্রায় সম্পূর্ণ বিশদ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ জানান, ভূমিকম্পে বহু মানুষ হতাহত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার জরুরি অবস্থা জারির পর সারা দেশে অস্থিরতা ছড়ানো হয়েছে। রাজধানী কারাকাসে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রতিটি বিপর্যস্ত জায়গায় ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা সামগ্রিক সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার স্থানীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর পুনঃনির্মাণ এবং আবেগ বিপর্যস্ত মানুষের সহায়তার জন্য বিশেষ ক্রম নেওয়া হবে।
ভূমিকম্পের বিপর্যস্ত প্রান্ত ও সংখ্যাগুলো
বিশেষ জারি পর ভেনেজুয়েলার সংখ্যাগুলো মূল্যবান হয়েছে। প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ তার ভাষণে জানান যে ভূমিকম্পে বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। তবে সংখ্যার বিষয়ে তিনি একটি স