নতুন লক্ষ্যমাত্রা স্থাপন: সংসদে অর্থমন্ত্রী প্রকাশ করেন যে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে
ম ল যস ফ ত স ড় – বুধবার (২৪ জুন) নাগাদ জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের খাদ্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার পাশাপাশি জীবিকা সুরক্ষা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি এই বিষয়ে মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঘোষণা করেন, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আর্থিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে রাখা হবে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা
এই লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান প্রাধান্য বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “মূল্যস্ফীতি কমানো, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের উপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।”
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের ভোগক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নকে বর্তমান সরকার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাধান্য হিসেবে গ্রহণ করেছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাপে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ
সরকারের প্রস্তাবে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাজেট ঘাটতি সহনীয় মাত্রায় রাখার জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে আগামী অর্থবছরে এক লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে, যাতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ
অর্থমন্ত্রী জানান, বিশেষ করে খাদ্যনিরাপত্তা ও চাল বিক্রির ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে মানুষের স্বাস্থ্য ও খাদ্য সুবিধা বিস্তারে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রস্তাবে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য উত্তরাঞ্চলে ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সার্বিক খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২৩ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ২৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনে এবং সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন থেকে ৪১ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া কর্মাভাবকালীন ৬ মাসে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছ