যাযাবর পরিবারের বেইরানভান্দ কিশোর এখন ইরানের বীর | সংবাদ
য য বর পর ব র র – গোলরক্ষকদের সামনে বিশ্বকাপের গোল চারপাশে সংঘর্ষ ঘটছে। কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ে দলগুলির গোলরক্ষকদের নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই তালিকায় এখন ইরানের জনপ্রিয় গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বিশ্বকাপে বেলজিয়ামকে আটকে রেখেছেন বেইরানভান্দ। তাঁর পরিচয় একটি আকর্ষণীয় গল্প স্থাপন করেছে। কিশোর বয়সে তিনি কুর্দি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বেইরানভান্দ গৃহহীন হয়ে যান তেহরানে কাজ করতে হয়।
আকাশ থেকে চারপাশে গুঁঁড়ি
তেহরানে যাওয়ার পর তিনি সাংগঠনিক চারপাশে বসে পড়েন। নাম ছিল কুর্তি নামে একটি ক্লাব। এখানে গাড়ি ধুয়ে কাজ করেন কখনও কখনও। তবে ফুটবল আসে নিয়ে স্বপ্নে ছিলেন তিনি।
খাওয়া করে কিছু করে তিনি মানুষের পায়ে ছুঁড়ে দিত পয়সা। পথ ছিল বড় কঠিন। বেইরানভান্দ অনুশীলনের জন্য সকালে ক্লাবে যেতে হত। তার কাছে কখনও রাতে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হত নানা স্থানে।
অনূর্ধ্ব দলের প্রথম বৃত্তি
তার পর নাফত তেহরান ক্লাবের এক কর্তা তাকে দেখে চিনতে ভুলেনি। তিনি তাকে নিয়ে গুরুত্ব দেন নিজের ক্লাবে। প্রথম সালে থেকে দেখা হয় বেইরানভান্দের।
২০১০ সালে তিনি ইরানের অনূর্ধ্ব ২০ দলে যোগদান করেন। তার পর অনেক ক্লাবে খেলতে হয় তিনি। কিন্তু জাতীয় দলে প্রথম কাজ ছাড়তে বাধ্য হননি।
বিশ্বকাপের নায়ক হিসেবে স্বাক্ষর
২০১৮ সালে বিশ্বকাপে তার প্রতিভা বিশ্বের পর্তুগালকে আটকে রেখেছিল। পরবর্তী বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তার কাছে তীব্র সংঘর্ষে স্টেডিয়াম থেকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।
বেইরানভান্দের গোলরক্ষক হিসেবে ইরানের ঝুলিতে রয়েছে জোড়া বিশ্বরেকর্ড। প্রথম রেকর্ডটি তিনি বছর পূর্বে স্থাপন করেন। সেই বিশ্বরেকর্ডে অপেক্ষা কম কেউ ছিল বিশ্বে।
২০১৯ সালে একটি ম্যাচে তিনি ৭৮ মিটার দূরে বল পাঠিয়েছিলেন। গোলরক্ষক হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘ ড্রপ কিকের রেকর্ডও তার।