খ ল খনন: এবার নজর ঢাকায় | সংবাদ
খ ল খনন – সরকারের বিস্তারিত খাল খনন কর্মসূচির আওতাধীন হওয়ার ফলে ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে খ ল খনন কাজ গুরুত্বপূর্ণ মূল্য নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে নগরবাসীদের জন্য পানি প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য খ ল খনন কর্মসূচি তার সুদৃঢ়তা লাভ করছে। এ কর্মসূচি মাধ্যমে নগরের অবরুদ্ধ খালগুলো পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে এবং তা চালানো হচ্ছে কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রাজধানীর জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য।
ঢাকার খালগুলো এবং তাদের ভূমিকা
ঢাকার প্রধান খালগুলোর মধ্যে রামচন্দ্রপুর খাল, কল্যাণপুর খাল ও কুতুবখালী খাল উল্লেখযোগ্য। রামচন্দ্রপুর খাল মোহাম্মদপুর ও বেড়িবাঁধ এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। কল্যাণপুর খাল মিরপুর ও কল্যাণপুর অঞ্চলের জলপ্রবাহ স্থায়ী করেছে এবং কুতুবখালী খাল যাত্রাবাড়ী ও কুতুবখালী এলাকার প্রধান জলধারা। এগুলো চালানো হয়েছে খ ল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসূচি বিস্তারিত করা হয়েছে এবং কার্যকরী করা হচ্ছে সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য।
ঢাকার প্রাচীন খালগুলোর মধ্যে ধোলাইখাল ও মুসলিম বাজার খাল অন্যতম প্রধান। ধোলাইখাল পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাল হিসেবে বিবেচিত হয়। মুসলিম বাজার খাল মিরপুর এলাকার জন্য অনুপম মূল্য রাখে। খিদির খাল রামপুরার এবং খিলগাঁও এলাকার জন্য প্রধান জলপ্রবাহ প্রদান করে। আরও কয়েকটি খাল যেমন বাউনিয়া ও রূপনগর খাল, কালশী ও বাইশটেকি খাল, কাটাসুর ও রায়েরবাজার খাল এগুলো সংখ্যালব্ধ খালগুলো খ ল খনন কর্মসূচির অনুসারে নির্দেশিকা হিসেবে চালানো হয়েছে।
“গত ১৯ বছরে এমন ব্যাপক খ ল খনন কাজ চালানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ডিএনসিসি আওতাধীন সব খাল পর্যায়ক্রমে খ ল খনন করা হবে এবং নগরবাসীদের জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে।” ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন।
খ ল খনন কর্মসূচির প্রভাব
ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দা শেফিক রহমান সংবাদকে বলেন, “বাজার ও টিভি সেন্টারের মাঝখানে ছিল একটি