প্রধানমন্ত্রী জানালেন ‘আই হ্যাভ আ প্লান’ কর্মসূচির আওতায় কৃষি খাতে কী করা হবে
আই হ য ভ আ প ল – তিস্তানদী ব্যারেজ নির্মাণ ও মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং সেই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু এবং প্রযুক্তি-নির্ভর আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিস্তা নদী প্রকল্পের গুরুত্ব স্থাপন
বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আই হ্যাভ আ প্লান কর্মসূচির আওতায় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে তা বিস্তারিত বর্ণনা করেন। সংসদে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রান্তিক কৃষকদের সম্প্রসারণ করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রবেশ করিয়েছে।
বর্তমান কৃষি-বান্ধব সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি আত্মনির্ভর ও কৃষক-কেন্দ্রিক আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গঢ়ে তোলা। উৎপাদন ও বিপণন হবে তথ্য চালিত এবং কৃষিখাত জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি হবে।
খাদ্য নিরাপত্তা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি ক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্যে উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা নিশ্চিত করতে সাধারণ কৃষকদের সহায়তা করা হয়েছে। সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য সুলভ মূল্যে সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় সার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিএডিসি মাধ্যমে উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল জাত উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপকরণ ও সুবিধা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ
কৃষিখাতে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থা প্রবৃদ্ধি করতে স্বল্প মূল্যে সেচ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। তিস্তা নদীর মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা পুনঃনির্মাণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকার দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমবে এবং সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।
সরকার ইতোমধ্যে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্যখাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋ