প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানান: প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে দেশ গড়ুন
প রত শ ধ র র জন – ১৬ জুন রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ইতিবাচকভাবে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল বিএনপি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিকরা।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা
প্রধানমন্ত্রী তার জীবনে প্রতিশোধ গ্রহণের দৃষ্টান্ত দিয়ে বলেন, ‘আমরা নিজেদের চিন্তা কিছুটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। হ্যাঁ, আমার সাথে অন্যায় হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশোধ নিলে আপনি কি সেই ক্ষতি ফেরত পাবেন বা সবকিছু আগের মতো হয়ে যাবে? হবে না।’
‘ব্যক্তিগত ক্ষতি বা অন্যায়ের প্রতিশোধ নিলেও তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। বরং অতীত আঁকড়ে না থেকে ভবিষ্যৎ নির্মাণে মনোযোগ দেওয়াই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি যুবসমাজের সামনে মাদক বিপন্নতার চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করেন এবং তরুণ-তরুণীদের স্বাস্থ্য ও মানসিক শক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি আরও বলেন, ‘খেলাধুলা ও সংস্কৃতি হলো এর অন্যতম প্রধান মাধ্যম। অথচ ঢাকা শহরসহ সারা দেশে খেলার মাঠের তীব্র সংকট দেখা যাচ্ছে।’
মানসিক পরিবর্তনের প্রয়োজন
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মকে মাদকের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সারা বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা চালু রাখার আহ্বান জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার জন্য স্কুল পর্যায় থেকে চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন।
প্রেরণার বিষয়ে মতামত
অতীতের দমন ও পীড়নের সময় সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা স্থায়ী হয়নি, এটি প্রমাণ করে আজ সংবাদপত্রগুলি বেশি স্বাধীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর আজ আমরা এতসংখ্যক সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছি।’ বিশেষ ভাবে তিনি সাংবাদিকদের জন্য আপত্তি ছাড়া সাহসি�