লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ওসি প্রত্যাহার
ল লমন রহ ট স থ ন – লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটে। এলাকায় অনুসন্ধান চালানোর পর সোমবার দুপুর পর্যন্ত নন্দিনী নামে এক ছোট মেয়ের মৃতদেহ খুঁড়ে পাওয়া হয়। ছেলেটি নলিনী কান্তের মেয়ে ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে স্থানীয় জনতা ভুট্টাক্ষেতে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হককে প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে আগ্রাসী জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেয়া হচ্ছে।
মৃতদেহ উদ্ধার ও উত্তেজনার প্রসার
গত সোমবার দুপুর থেকে নন্দিনী নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, রাতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। এই ঘটনার কারণে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা ফলিমারী গ্রামে মৃতদেহ খুঁজে বার করতে গিয়ে একটি ভুট্টাক্ষেতে পৌঁছে। সেখানে নরম মাটি দেখে তারা অনুমান করে যে নন্দিনী কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছে বলে মনে হয়। অতিক্রম করা হয়েছে স্থানীয় জনতার কাছে খবর প্রকাশের পর অবিলম্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
খবরটি ছড়িয়ে পড়লে লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিবেশী রঞ্জিত চন্দ্রের ছেলে বিধান চন্দ্রের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে কয়েকটি ঘর এবং মালামাল ধ্বংস হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেয়া হয়। সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আদিতমারী থানার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করতে। তাঁর অভিযোগ তদন্ত করতে লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটেছে এবং তা স্থানীয় মানুষ বিরোধিতা করে। বিক্ষুব্ধ জনতা বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে পুলিশ সংঘর্ষে ভাগ নেয়।
লালমনিরহাটের স্থানীয় জনতার মধ্যে মৃত্যু ঘটানোর সংঘটনার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জনতা মাটি পরিষ্কার করে নন্দিনী মৃত্যু নিশ্চিত করতে চাইছেন। এতে স্থানীয় ইউনিয়ন সমিতি বিষয়টি আরও গুরুতর করে তোলে। পুলিশের মধ্যে কিছু অভিযোগ রয়েছে যে তারা নন্দিনী মৃত্যু ঘটানোর সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। তাঁদের উপর গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।
লালমনিরহাটে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর