যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে থাকছে যেসব আলোচনা
য ক তর ষ ট র ইর – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান শান্তি চুক্তি করার জন্য একমত হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চুক্তির পূর্ণ শর্তাবলি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টগুলি ভিত্তি করে আল-জাজিরা সংবাদমাধ্যম চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরেছে।
সামরিক অভিযানের সমাপ্তি
চুক্তির প্রধান অগ্রগতি হলো, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান লেবাননসহ সমস্ত সামরিক ফ্রন্টে অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে সম্মতি দিয়েছে। ইসরায়েল লেবাননকে চুক্তি থেকে বাদ দিতে চেয়েছিল, যা আলোচনার মূল প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে কাজ করবে। এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজগুলোর ওপর কোনও প্রকার ফি বা শুল্ক আরোপ করবে না ইরান।
পূর্ববর্তী চুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে এই সপ্তাহে দুই দেশের প্রতিনিধি দল প্রাক-বাস্তবায়ন এবং কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠকে বসবেন। পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি সফল করতে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শাহবাজ শরিফের পোস্ট ছাপার পর ঐতিহাসিক চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো প্রকাশিত হয়েছে। চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় কাতার, সৌদি আরব এবং তুরস্কের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। চুক্তি সই হওয়ার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি আলোচকদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হবে।