এনবিআর চেয়ারম্যান কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর করেছেন
ক ল ট ক স দ কর – বর্তমান বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রয়েছে কিনা তা নিয়ে স্পষ্টতা ছিল না। অর্থমন্ত্রী তাঁর বাজেট বক্তৃতায় কোনো প্রকার উল্লেখ করেননি। কিন্তু গবেষণা সংস্থাগুলি এবং অর্থনীতিবিদরা বলেছেন যে বাজেট বিলে সেই সুযোগ রাখা হয়েছে।
নিয়মিত কর প্রসঙ্গে তুলে ধরেন এনবিআর চেয়ারম্যান
‘এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো প্রভিশন রাখা হয় নাই। আমার মনে হয়, আপনাদের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে,’ বলেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একটি বিষয় বুঝতে ভুল হচ্ছে। গত বছর ছোট্ট একটা প্রভিশন করেছিলাম যে জমি বিক্রি করেন যারা কম দামে রেজিস্ট্রেশন করেন। উদাহরণ দিয়ে বলছি, কেউ জমি বিক্রি করেছেন ৫ কোটি টাকায় কিন্তু রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১ কোটি টাকায়। বাকি ৪ কোটি টাকা নিয়ে তারা বিপদগ্রস্ত থাকে। কিন্তু সেই টাকার উপর তাদের রেগুলার ট্যাক্স এবং ১৫ শতাংশ গেইন ট্যাক্স দিতে হবে।’
তিনি আরও জানান, ‘এটা এখন না, আমরা গতবারই করেছি। সেটা ছিল সেলারের দিক থেকে। এবার বায়ারের জন্যও সুবিধা আছে। যেমন, কেউ ফ্ল্যাট কিনেছেন ২০ কোটি টাকায় কিন্তু রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ৩ কোটি টাকায়। কর কর্মকর্তারা তাঁকে চার্জ করেছেন যে আপনি এটার উপরে এক্সট্রা ট্যাক্স দিতে হবে।’
মৌজা রেট নিয়ে আলোচনা চলছে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মৌজা রেট কম হওয়ার কারণে সমস্যা হচ্ছে। আমরা রেজিস্ট্রেশনের বাস্তব মূল্যের সাথে সম্পর্কিত হচ্ছি যাতে করে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে আর কোনো সুযোগ থাকে না। দেড় মাসের মধ্যে বাজেট করতে হয়েছে বলে কিছু বিষয় পরিচালনা করা হয়নি। তবে আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি এবং মৌজা রেটগুলো রিভিউ করছি।’
বিলে বলা হয়েছে, ‘জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের প্রকৃতমূল্য দলিলমূল্য অপেক্ষা বেশি হলে করদাতা তার বিপরীতে নিয়মিত করহারে আয়কর পরিশোধ করতে হবে।’