জিয়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে নিয়েছেন
জ য় দ শ র অর থন – বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনৈতিক আঁচন স্থাপন করেছিলেন। তিনি বেসরকারি খাত, কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে স্বাধীন পরিচালনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথে পরিচালনা করেছিলেন। তার স্থাপিত দুই দশক কর্মসূচি ছিল গ্রামীণ জনগণের জীবিকা নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার অর্থনৈতিক অর্জনের প্রণীত নীতি।
৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর মিরপুর কাফরুলে জামিয়া আরাবিয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসায় দোয়া ও খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জিয়া শুধু স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্ণতা দিয়েছিলেন, বিশেষত দুই চারপাশে গণতান্ত্রিক জাতি গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের জন্য পথ প্রশস্ত করেছিলেন।
‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষণাকারী নন, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক এবং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন এবং উৎপাদনমুখী জাতি গঠনে তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, জিয়া রাষ্ট্রপতি প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রকল্প, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ও পরিবার পরিকল্পনা প্রক্রিয়া সমৃদ্ধ করেছিলেন। গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। তার দূরদর্শী পদক্ষেপের ফল এখনও জনগণের উপর চাপ বিস্তার করছে।
‘প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ভিত্তিক নীতি গ্রহণ, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ও পরিবার পরিকল্পনা প্রক্রিয়া সমৃদ্ধ করে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। তার মাধ্যমে বর্তমানে দেশের মানুষ সুখে জীবন গড়ছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথ