বিশ্বকাপে সৌদি, ‘বাজপাখি’র ডানা মেলা
ব শ বক প স দ ব – বিশ্বকাপের মাঠে সৌদি আরবের খেলোয়াড়দের ক্রমাগত বাঁশি ভাঙার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মেক্সিকো জাতীয় মাঠে বিশ্বকাপের পতাকা উত্তোলনের সাথে সাথে গ্রিন ফ্যালকনসের প্রতিয়োগিতার মুখে আঘাত আসছে।
সৌদি আরব স্পেন এবং উরুগুয়ের গ্রুপে পড়ে প্রতিয়োগিতার স্বাভাবিক কঠিনতা সামনে। যদিও লক্ষ্য সহজ নয়, গ্রুপে তৃতীয় হয়ে রাউন্ড অব ৩২-এ উঠার সম্ভাবনা আছে।
হার্ভে রেনার্ডের যাদুতে কাতারে আর্জেন্টিনাকে হারানোর পর সৌদি আরবের মানসিক অবসাদ গভীর হয়ে উঠেছে। তাদের এশিয়ান বাছাইয়ে জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সাথে সমান স্বাভাবিকতায় লড়াই করতে হয়েছে, কিন্তু বাছাইপর্বের চতুর্থ রাউন্ডে ইন্দোনেশিয়াকে ৩-২ হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা তাদের আত্মবিশ্বাসের সন্ধান দেয়।
তাদের প্রকৃত শক্তি হল খেলোয়াড়দের একত্রীকরণ। আল হিলাল, আল নাসের ও আল আহলি দলে প্রায় ৯০% খেলোয়াড় একত্রে খেলছেন। সৌদ আব্দুলহামিদের পারদর্শিতা ও মুসাব আল জুয়াইরের পাসিং জাদু এসব জন্য সামগ্রিক সংহতির প্রমাণ।
প্রস্তুতির কম সময় এবং দলের কিছু খেলোয়াড় ক্লাব ফুটবলে বেঞ্চে বসার কারণে খেলা ছন্দহীন হয়ে আছে। বিদেশি খেলোয়াড়দের সময় বেশি খরচ হয়েছে, তবে দনিস বানিয়েছেন বাঙ্কার শক্ত দেয়াল।
গ্রুপ এইচ-এ সৌদি আরবের সম্ভাবনা তুলনামূলক স্বাভাবিক নয়। তাদের ডিফেন্ডারদের ফিজিক্যাল ফুটবলে দুর্বলতা হারিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আকাশি লড়াইয়ে গোল হজমের ভয় আর গোলরক্ষকদের খেলোয়াড় প্রস্তুতি কম হয়েছে।
দনিসের ডিএনএ বোঝার মাত্র দুই মাস পাবে ফ্যালকনরা। উরুগুয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা যাবে আর স্পেনের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ। খুব সম্ভব যে কৌশলের পরীক্ষা এই ম্যাচে সৌদি আরবকে সামনে আসছে।
গোল পার্থক্য বাড়াতে হবে, ওয়াইল্ডকার্ডের পথে যেতে হবে। আফ্রিকান দল ফিজিক্যালি শক্তিশালী কিন্তু কৌশলে দুর্বল। সৌদি আরব যদি খেলার ধারায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তবে তাদের গ্রুপ পর্বে শেষ হওয়া স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।