এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি
সরকারি সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ
এসএসস পর ক ষ শ র ৭ – ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই তথ্য শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত সেশনে তিনি উল্লেখ করেন যে এসএসসি পরীক্ষা প্রক্রিয়া সিনক্রোনাইজ করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা এবং ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি কেন্দ্রিক করা হয়েছে। তিনি প্রস্তাব দেন যে সময়সূচি পরিবর্তন ছাড়া পরীক্ষা পরিচালনা করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে।
পরীক্ষার ক্ষেত্রে সরকার একটি সম্পূর্ণ নতুন সিলেবাস পরিচালনা করেছেন যাতে শিক্ষার্থীদের অ্যাডমিশন ও সময়সূচি বাড়ানো হবে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। তবে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রায় ২০ বছর বয়সে পরীক্ষা দিতে হবে যা বিশাল ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ঘূর্ণিত করছে। মন্ত্রী জানান যে সিলেবাস পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সেশন জটিলতা কমানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্ত্রী এ তথ্য জানান, “পরীক্ষা দিতে এবং পাস করতে স্বাভাবিকভাবে হয় তাহলে একটি শিক্ষার্থীর জীবনে প্রায় ১৬ বছর সময় ব্যয় হয়। আর এইচএসসি পরীক্ষার জন্য আরও দুই বছর সময় লাগে। কিন্তু আমরা দেখেছি যে এসএসসি পাস করতে ২০ বছর বয়স হয়ে যায়। তাই সময়সূচি কার্যকর করেছি যাতে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তি গুরুত্বপূর্ণ করা হবে।”
সিলেবাস পরিবর্তন এবং সময়সূচি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য
এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য ক্লাস নাইন-টেন সিলেবাস শেষ হবে ডিসেম্বর মাসে। তারপর সরাসরি এসএসসি পরীক্ষা স্থাপন করা হবে যাতে শিক্ষার্থীদের এক বছরের সময় নষ্ট হবে না। এটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে পরীক্ষা কার্যক্রম সুস্থ হয়। সরকার জানায় যে সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে এবং আর পেছানো হবে না।
২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর ক্লাস নাইন-টেন সিলেবাস শেষ হবে। তারপর এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে যাতে শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠিত পরীক্ষার সময় কমানো হবে। এটি স্বাভাবিকভাবে করা হয়েছে যে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তি ও ভবিষ্যৎ জীবনের ব্যবস্থা করা হবে। সরকার এই সিলেবাস কাভার করা এবং সময়সূচি সমন্বয় করার জন্য মনোনয়ন করেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, “এসএসসি পরীক্ষা দিতে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি হিসেবে ঘোষণা করা হয