Bangladesh

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল বনরক্ষীরা

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল বনরক্ষীরা স ন দরবন ব ষ দ য় - সুন্দরবন বিষ দ য় - যদিও মৎস্য আহরণের ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে, কিন্তু

Desk Bangladesh
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল বনরক্ষীরা
  2. বনরক্ষীদের প্রতিরোধে সুন্দরবন বিষ দ কে কঠোর নজরদারি দেওয়া হয়েছে

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল বনরক্ষীরা

স ন দরবন ব ষ দ য় – সুন্দরবন বিষ দ য় – যদিও মৎস্য আহরণের ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে, কিন্তু অসাধু ব্যক্তিরা তাদের কাজে ব্যাপক ভাবে নিয়োগ দিচ্ছেন। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বনরক্ষীদের দ্বারা চাঁদপাই রেঞ্জে একটি অবৈধ আস্তানা খুঁজে পাওয়া গেল, যেখানে মাছ শিকার এবং শুঁটকি তৈরির কাজ চলছিল। সেই আস্তানা থেকে ৫ কেজি চিংড়ির শুঁটকি, ২টি ডিঙি নৌকা, ৪ বোতল কীটনাশক এবং শুঁটকি তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এই সংগ্রহের মাধ্যমে বনরক্ষীরা সুন্দরবন বিষ দ কে সংহতি দিয়ে একটি মার্কার সুযোগ তৈরি করেছেন। সুন্দরবন জীবমান অঞ্চল হিসাবে এই স্থানে মাছ শিকার বিষ দ কে সম্পূর্ণ প্রতিরোধের জন্য বনরক্ষীদের দৃঢ় সংকেত দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপাই রেঞ্জে নিয়মিত টহলে মাছ শিকার আস্তানা খুঁজে পাওয়া গেল

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চাঁদপাই রেঞ্জের চরপুটিয়া টহল ফাঁড়ির শিয়ালা নদীর অফিস খালের সাইট খাল এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেল। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু ব্যক্তিরা বনের গহীনে পালিয়ে যান। সেই আস্তানা থেকে প্রাপ্ত সরঞ্জামগুলি বনরক্ষীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, যা সুন্দরবন বিষ দ কে সম্পূর্ণ রূপে অবরুদ্ধ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিয়েছে। অবৈধ সরঞ্জাম প্রাপ্ত হওয়ার ফলে সেই আস্তানা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং পরবর্তী তদন্ন চালু করা হয়েছে।

টহল দলের প্রধান ও চরপুটিয়া ক্যাম্প ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘একটি সংগঠিত দল বনের খালে বিষ ব্যবহার করে মাছ ধরছিল এবং সেগুলো ব্যবহার করে শুঁটকি তৈরি করছিল। তারা এই আস্তানা ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। জড়িতদের ধরতে বনের ভেতরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

বনরক্ষীদের প্রতিরোধে সুন্দরবন বিষ দ কে কঠোর নজরদারি দেওয়া হয়েছে

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা চলাকালে বনে অনুপ্রবেশকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নজরদারি বাড়াতে শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাড়তি ৬টি স্মার্ট পেট্রোলিং টিম গঠন করা হয়েছে। ড্রোন ও জলযানের মাধ্যমে পুরো বনে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এই অপারেশনের ফলে অবৈধ মাছ শিকার সুন্দরবন বিষ দ কে আরও দৃঢ় ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।’

সুন্দরবন একটি অবিস্মরণীয় জীবমান অঞ্চল হিসাবে অবৈধ মাছ শিকার এবং সুন্দরবন বিষ দ কে সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে। এই অপারেশনের ফলে অসাধু ব্যক্তিরা আরও আতঙ্কিত হয়েছেন এবং প্রতিরোধের জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। বনরক্ষীদের দ্বারা আস্তানা উদ্ধারের পর এই অঞ্চলে ব

Leave a Comment