নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার আপিল দ্রুত নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন
ন র ও শ শ ন র – নিষ্পাপ আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের বিনষ্ট মস্তকবিহীন রক্তাক্ত দেহ পল্লবীর খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হলে পুরো বাংলাদেশ স্তব্ধ হয়ে গেল। এর পরে বিচারিক আদালত দুই নরপশুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে তাদের শাস্তি নির্ধারণ করে। কিন্তু এই রায়ের সমাপ্তি কি আসছে তা নিশ্চিত করা হয়নি।
বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘ বিলম্বের সমাধান
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের আপিল বিভাগের এজলাসে প্রস্তাব পেয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি পেতে একটি ডেডিকেটেড বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এটি ভুক্তভোগীদের উদ্বেগ ও মানসিক যন্ত্রণা সমাধানের জন্য প্রধান বিচারপতি অব্যাহত আদালত বিভাগে নির্দেশ দিয়েছেন।
“এই মৃত্যুদণ্ডের রায়টিই কিন্তু চূড়ান্ত নয়, যতক্ষণ না পর্যন্ত এই রায়টি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট কর্তৃক অনুমোদিত না হয়।”
এই বিশেষ বেঞ্চটি আগামী রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কাজ শুরু করবে। নিম্ন আদালতে বিচার হলেও উচ্চ আদালতে মামলার ডেথ রেফারেন্স বছরের পর বছর ঝুলে থাকার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর হতাশা দৃষ্টিগোচর করে। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে কঠোর ও বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগের সফলতা নিশ্চিত করতে।
বিচারিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “আমাদের আইন কর্মকর্তারা কোনো মামলায় কোনো রকম অ্যাডজার্নমেন্ট চাইবেন না। কোনো অ্যাডজার্নমেন্ট ছাড়াই মামলাগুলো শুনানির জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।” এই বিশেষ টিমটি সুনির্দিষ্ট করে গঠন করা হয়েছে। এর ফলে বিচার ব্যবস্থার অপরাধের বিচার দ্রুততম সময়ে ঘটে যাবে।
“বিশেষ করে আদালতের প্রতি মানুষের যে আস্থা, সে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এই উদ্যোগটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
অ্যাটর্নি