মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের
সরকারি পরিদর্শন ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন চেয়ারম্যান
ম গলহ ট স থলবন দর প – মোগলহাট স্থলবন্দরের পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে স্থলবন্দরের অবকাঠামো পরীক্ষা করার জন্য মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান চেয়ারম্যান পরিদর্শন করেন। তিনি এই পরিদর্শন ঘটনাকে পুনরায় চালু করার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পদক্ষেপ বিবেচনা করেন। পরিদর্শন সময় তিনি এসেছেন বন্দরের বিভিন্ন খাস স্থাপনা ও বিষয়গুলি অনুমান করার জন্য।
মোগলহাট স্থলবন্দর আগে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল
পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মানজারুল মান্নান বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দরটি একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। বৃহত্তর দিনগুলিতে এখানে যাত্রী এবং পণ্য পারাপার চলত। এখন সরকার এটি পুনরায় চালু করার জন্য আগ্রহী হয়েছেন। ভবিষ্যতে এই বন্দরটি কীভাবে কাজ করতে পারে, সেটি অনুমান করার জন্য আমার সফরটি গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি এই বন্দর ও কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে এর বর্তমান অবস্থা ও আগামী উন্নয়নের পরিকল্পনা বিশ্লেষণ করেন।
“মোগলহাট স্থলবন্দর ছিল জেলার একটি মূল পরিবহন কেন্দ্র। এখান থেকে রাজ্য ও জাতীয় স্তরে পণ্য ও যাত্রী প্রবাহ ছিল। এখন এটি পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকার এটি আবার চালু করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পরিদর্শন ছাড়া আগামী পরিকল্পনার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।”
বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে বন্দর পরীক্ষা করা হয়েছে
চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নানের পরিদর্শনে তার সঙ্গে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক এবং বিভিন্ন কর্মকর্তারা ছিলেন। তিনি বন্দরের স্থাপনা দেখেন এবং সরকারি সংস্থাগুলির সমন্বয় পরীক্ষা করেন। বন্দরটি পুনরায় চালু করার জন্য আবেদন করা হয়েছে যাতে জেলা ও সারা দেশের পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটে। এই পরিদর্শনের পরিণতি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থলবন্দরটি আবার চালু করার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সম্ভাব্যতা প্রদান করতে পারে। এখান থেকে রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে সংযোগ তৈরি করা হবে এবং বৃহত্তর দিনগুলিতে বণ্টন ও পরিবহনের সুবিধা বৃদ্ধি ঘটবে। মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার জন্য যে সম্ভাব্যতা স্থাপন করা হচ্ছে তা জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক গুরুত্ব স্পষ্ট করে।
স্থাপনা ও আবেদন সম্পর্কে আলোচনা
পরিদর্শন সময় তিনি স্থাপনার অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থাপনা পুনরায