ফরিদগঞ্জে সত্য লেখায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, প্রেসক্লাবের নিন্দা
ফর দগঞ জ সত য ল খ – চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ফলে সাংবাদিক আবদুল কাদিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে আপত্তি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ কর্মীদের প্রতি সন্দেহ উপস্থিত হয়েছে এবং তাদের সত্য ও সজ্জনতা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
অপপ্রচারের প্রতিবাদ ছড়ানো হয়েছে
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব সাংবাদিক আবদুল কাদিরসহ সকল পেশাদার সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও মানহানির কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর আহ্বান জানিয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের পর থেকে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলির সত্যতা প্রমাণ করা হয়েছে, কিন্তু আবদুল কাদিরের প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিশ্লেষকদের কাছে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। তাঁর প্রতি মিথ্যা অভিযোগ করে তাঁকে দুর্বল করে তুলতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সত্য লেখার ফলে নিন্দা আর কার্যকারী পদক্ষেপ
গত ৫ মে বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমের পরিবর্তে তার সাধারণ দাখিল পাস করা ছেলে মিরাজুন্নবী সিয়াম শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা দিচ্ছিলেন বলে আবদুল কাদির দৈনিক কালবেলা ও দৈনিক চাঁদপুরে প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমে তা প্রকাশের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগগুলির সত্যতা পাওয়ায় গত ১২ মে ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ সিদ্ধান্ত তাঁর সমর্থন করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
“আমি দীর্ঘ দিন ধরে আবদুল কাদিরকে চিনি। তিনি সৎ ও সজ্জন মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার অনভিপ্রেত।” জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন কবির এ কথা বলেন। তিনি তথ্যের সত্যতা ও অপপ্রচারের সম্পর্কে স্পষ্ট মত দিয়েছেন।
ফর দগঞ জ সত য ল খ বিষয়ে আবদুল কাদির দীর্ঘ সময় ধরে সুনাম ও সততার সাথে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এ কার্যকলা�