ভারতীয় ভিসার নতুন নিয়মে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া
ক ক নত ন ন য়ম ভ – ভারত বাংলাদেশের জন্য কেবল প্রতিবেশী দেশ নয়, বরং চিকিৎসা, শিক্ষা এবং ভ্রমণের একটি মূল্যবান গন্তব্য। বাংলাদেশি মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে ভারতে ভিসা নিয়ে সীমান্ত পার হয়। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে অবস্থান করা দীর্ঘ সময়ব্যাপী দর্শনার্থী ও চিকিৎসা প্রার্থীদের জন্য ভিসা নিয়মে বড় পরিবর্তন ঘটেছে।
নতুন নিয়মটি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালিত বিল বা আইন সংশোধন মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। এই সংশোধনের পেছনে রয়েছে ভারতের ইমিগ্রেশন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্য। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটি অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ এবং ভিসা অপব্যবহার রোধের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গ্রেইস পিরিয়ড বাতিলের প্রভাব
নতুন নিয়মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল গ্রেইস পিরিয়ডের প্রতিক্রিয়া। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিক ভারতে একটানা ১৮০ দিন থাকার পর আরও ১৪ দিন অতিরিক্ত সময় পেতেন। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই সময় বাতিল করা হয়েছে। আপিল প্রক্রিয়ায় এখন সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হবে।
ভারত সরকার স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেছে যে ভিসা পেয়ে ভারতে অবস্থান করা দীর্ঘমেয়াদি কর্মকর্তা ছাড়া অনুমতি দেওয়া হবে না। এই আইনের সঠিক প্রয়োগে সীমান্ত নিরাপত্তা গুরুতর করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ভারতে থাকা বিদেশি নাগরিকদের অপরাধে মুক্তি পেতে জোর দেওয়া হয়।
ডিজিটাল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা
নতুন নিয়ম প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল অ্যাপিলের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা বা অবস্থান সম্পর্কে বিবাদ ঘটলে তারা এখন ব্যুরো অব ইমিগ্রেশনের গভর্নরের কাছে অনলাইনে আপিল করতে পারেন। আগে এই আপিলের বিচার মাসের পর মাস সময় নেয়।
অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শিশুদের জন্য নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নিয়মে সহজতা। যদি কোন শিশু ভারতে বিদেশি দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় এবং সে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে তার অবস্থা বজায় রাখে, তবে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তার আলাদা করে জন্ম নিবন্ধন করতে বাধ্য হবে না।
আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, ভারত অবস্থান করতে শুরু করেছে জোরদার নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ। এর পরিণতি হল বিদেশি নাগরিকদের ভারতে অবস্থান সম্পর্কে প্রতি�