ভারতে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা এর জন্য সংশোধনী আনা হয়েছে
ভ রত অন প রব শ র – সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতে অনুপ্রবেশ ও দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি অবস্থান নিয়ে বাড়তি উদ্বেগের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার গুরুতর পরিবর্তন আনেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নতুন “অভিবাসন ও বিদেশি বিধিমালা, ২০২৫” আইন ভারতে অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াকে আরও নিয়ন্ত্রিত করেছে। পরিবর্তনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল রেজিস্ট্রেশন সময়সীমার পরিবর্তন। বিদেশি নাগরিকদের প্রতিটি অবস্থানের মেয়াদ ১৮০ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু আগে তারা মেয়াদের শেষ হওয়ার আগেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এটি সরকার বিদেশিদের উপর আগাম নজরদারি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিশেষ পরিস্থিতিতে কঠোর নিয়ম প্রয়োগ হবে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিলম্বিত রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে কড়া বার্তা প্রয়োগ করা হচ্ছে। সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে শুধুমাত্র জরুরি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরি অনুমোদন পেবে। এই নিয়ম সুযোগ সৃষ্টি করছে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিক্রমণ তথ্য গোপনে রাখার অনুমতি দিয়েছে না, সুতরাং তা সহজে অনুমোদন পেতে পারে না।
পরিবার ও নাগরিকত্বের পরিবর্তন
বিশেষ আকর্ষণ হল পরিবার ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নতুন নিয়ম। যদি কোন শিশু ভারতীয় অভিভাবকের কাছে অবস্থান করে এবং সে ভারতীয় নাগরিকত্ব বজায় রাখতে চায়, তবে তার জন্য রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। এই সংস্কার দ্বারা ভারতীয় জাতীয়তার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নিশ্চিত হয়েছে, কিন্তু অন্যদিকে বিদেশি জাতীয়তার বিষয়ে কড়াকড়ি রয়েছে। শিশু ভারতে অবস্থান করতে থাকলে তার জাতীয়তা নিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ নিরাপত্তা কাঠামোতে পরিচালিত হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য কড়া সংস্কার
হাসপাতাল, নার্সিং হোম ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলি এখন ভারতে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত আবেদন করার দায়িত্ব বর্ধিত করেছে। নতুন নিয়ম দ্বারা বিদেশি নাগরিকদের উপর সামগ্রিক নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। সম্প্রতি অভিবাসন কাঠামো একটি নতুন সংস্কার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপত্তাকেন্দ্রিক প্রণালীর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ভারতে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত সামগ্রিক কাঠামো দ্বারা সরকার এখন বিদেশি নাগরিকদের উপর নিয়ন্ত্রণ করছেন। নতুন সংশোধনী দ্বারা অনুপ্রবেশ ব্যবস্থা আরও ডিজিটাল ও �