News

টেলিটকের ‘নাবালক দশা’: মন্ত্রী বললেন, অন্যরাতো ‘ইচ্ছেমত দাম বাড়াতে পারছে না’

ট ল টক র ন ব লক -

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

টেলিটকের নাবালক দশা: মন্ত্রী বললেন বাজার প্রতিযোগিতা বজায় রাখার জন্য অপারেটরের অবশ্যই অস্তিত্ব প্রয়োজন

সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বাজার প্রতিযোগিতা প্রভাব

ট ল টক র ন ব লক – টেলিটকের অবশ্যই নাবালক দশা বাজারে প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে বলে জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণের সময় বলেন, সামগ্রিক প্রতিযোগিতা কমিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণ হতে পারে যদি টেলিটক বাজার থেকে প্রতিযোগিতা বজায় রাখে না। তিনি আরো জানান যে এটি কোম্পানির বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই এবং এর অবশ্যই সংস্থার অস্তিত্ব বাজারে স্থায়ী প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য জরুরি।

শনিবার (১৬ মে) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী আনাম আরো বলেন, এই অবস্থার কারণে টেলিটক বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণ করে না। স্বাক্ষরিত নীতিগুলো প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে অপারেটরটি আমাদের কাছে কিছুটা দুর্বলতা তৈরি করেছে বলে মন্ত্রী আক্ষরিকভাবে ব্যাখ্যা করেন। পরিচালক খালেদ আবু নাসের মতে, টেলিটকের বিক্রির মাধ্যমে বাজারে প্রতিযোগিতার সুযোগ খুব দ্রুত বাড়তে পারে।

টেলিটক বাজার থেকে এখনো প্রতিযোগিতা বজায় রাখে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, অপারেটরটি ছয় মেগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে কেবলমাত্র ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ পেয়েছে যে বিষয়টি অবশ্যই সমালোচনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে টেলিটকের কাছে তরঙ্গ ফি সহ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। কিন্তু এই পরিমাণ টেলিটক বিক্রির সময় অন্যান্য অপারেটরগুলোর প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরও আলোচনা করা হয়েছে।

বাজার প্রতিযোগিতার গুরুত্ব এবং টেলিটকের ভূমিকা

টেলিটক বাজারে তাদের স্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মন্ত্রী আনাম জানান। তিনি আরো বলেন, যদি এই অবশ্যই নাবালক অবস্থার কারণে টেলিটক চালু হত না, তাহলে অন্যান্য অপারেটরগুলো নিজের ইচ্ছামতো দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। স্বাক্ষরিত নীতি ও দাম বাড়ানোর স্বাধীনতা টেলিটকের অবশ্যই প্রতিযোগিতা কমিয়ে দেয়। আবার সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সম্ভব হবে।

একটি কোম্পানি দাঁড়াতে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগে। কিন্তু টেলিটক বর্তমানে বাজারে বেসরকারি অপারেটরগুলোর প্রতিযোগি�

Leave a Comment