চামড়া শিল্প ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ বাড়ানোর লক্ষ্যে পৌঁছানোর আশা জন্মানো হয়েছে
চ মড় শ ল পক আর শক – বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা করেছেন যে চামড়া শিল্পকে আরো শক্তিশালী এবং বিশ্বব্যাপী রপ্তানিমুখী করার জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে। এ ঘোষণা আজ শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে রাজধানীর লালবাগে কোরবানি কাঁচা চামড়া বাণিজ্য পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোচ্ছাস করেন।
আড়ত পরিদর্শনে দেখা গেল চামড়া সংগ্রহে স্থিতিশীলতা
মন্ত্রী জানান, গতকাল আমিনবাজার এবং আজ পোস্তা ও সাভারের হেমায়েতপুর আড়ত পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছেন ব্যবসায়ীদের হাতে বিপুল পরিমাণ চামড়া সঞ্চিত হয়েছে। এখানে লবণ মাখানোর কার্যক্রম সামান্য সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
“কোরবানি চামড়া একসাথে ঢাকায় আসে না। স্বাভাবিকভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগে। তবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, বিসিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত চেষ্টায় আমাদের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।”
তিনি আরও বলেন, “তাপমাত্রা তুলনামূলক সহনীয় হলে চামড়ার সংরক্ষণ প্রক্রিয়া বেশ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালিত হয়। কিন্তু ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চামড়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আধুনিক পদ্ধতিতে চামড়া পরিষ্কার করে লবণ মাখানো হলে তা তিন থেকে চার মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।”
প্রক্রিয়া পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন মন্ত্রী
তিনি বলেন, চামড়া প্রস্তুতিতে জবাই ও স্কিনিং প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে স্কিনিং করা না হলে চামড়ার মান ক্ষুণ্ন হয়। প্রক্রিয়া আধুনিক এবং মেকানাইজড করার পরিকল্পনা চলছে। চামড়া থেকে ওয়েট ব্লু তৈরি হয়, এরপর ক্রাস্ট লেদার এবং তারপর ফিনিশড লেদার প্রস্তুত করা হয়। এই চামড়া দিয়ে জুতা, স্যান্ডেল, বেল্ট প্রমুখ পণ্য উৎপাদন করা হয়।
তিনি আরও জানান, দেশের চামড়া প্রস্তুত পণ্যের বাজার ও রপ্তানির মূল্য প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। এ বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, “প্রতিবছর চামড়া পাচারের অভিযোগ শোনা যায়। দেশের চামড়া শিল্পের কোনো প্রতিষ্ঠান পাচার হোক না কেন সেটি অব্যাহত রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সাভারের চামড়া শিল্পনগরী এবং সিইটিপি ক্ষেত্রে মন্ত্রী জানান, “হাজারীবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরের পরও অনেক ট্যানারি পুরোপুরি কাজ করতে পারেনি। �