অর্থবহ সংযোগেই কমবে’ বাংলাদেশের ডিজিটাল বৈষম্য
জিডিআইপি কাজ করছে দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে
অর থবহ স য গ ই কমব – ওয়াকাস হাসান বর্তমানে জিডিআইপি এশিয়া অঞ্চলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পাকিস্তান টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষে কাজ করেছেন এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও নারীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের বৈষম্য কমাতে নীতিগত কাজে যুক্ত ছিলেন।
বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রগতি ও বৈষম্য
বাংলাদেশ ডিজিটাল উন্নয়নে ভারী ভিত্তি গঠন করেছে। দেশে বেশির ভাগ মানুষ ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়েছে, কিন্তু ব্যবহারে বৈষম্য দৃশ্যমান। নারী এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠী অর্থবহ ইন্টারনেট ব্যবহারে সীমিত।
ওয়াকাস হাসান বলেন, “সংযোগের প্রতিফলন নেই কিন্তু ব্যবহারে চ্যালেঞ্জ বেশি। উচ্চমূল্যের স্মার্টফোন, দুর্বল সেবার মান এবং সামাজিক বাধা মানুষকে ডিজিটাল ব্যবহারে আটকে রেখেছে। তাই বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সংযোগ ও ব্যবহারে সমন্বয় প্রয়োজন।”
ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির জন্য সমন্বয় ও গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর
ইন্টারনেট সংযোগের বাইরে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির জন্য অর্থবহ সংযোগ, ডিজিটাল দক্ষতা এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ। সংযোগ বিনা মূল্যের হলেও অর্থবহ ডিভাইস ও ডেটা না থাকলে ব্যবহার সম্ভব হয় না।
ওয়াকাস হাসান বলেন, “সাশ্রয়ী সংযোগ ছাড়া মানুষ সংযুক্ত হতে পারে না। আবার সংযুক্ত হলেও ডিজিটাল দক্ষতার অভাবে তারা কেবল সীমিত ব্যবহার করে। নিরাপদ পরিবেশ নারীদের ও নতুন ব্যবহারকারীদের বাধা হয়ে দাঁড়ায়।”
পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের শিখন
পাকিস্তানে নারীদের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির স্ট্র্যাটেজিতে প্রায় ৮০ লাখ মহিলা ইন্টারনেটে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশেও একই ধরনের বৈষম্য রয়েছে।
ওয়াকাস হাসান বলেন, “নারীদের ইন্টারনেট অ্যাকসেসে বৈষম্য দৃশ্যমান। তাই সরকারের নেতৃত্ব, সংক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিক বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।”
সহযোগিতা ও কার্যকরী পদক্ষেপ
জিডিআইপি ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটি-ভিত্তিক ডিজিটাল সেন্টার এবং নারীদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশেও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ডিজিটাল বৈষম্য থেকে মুক্তি
কমিউনিটি নেটওয়ার্ক গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ডিজিটাল সেবার বাইরে থাকার সমস্যার সমাধান হতে পারে। সঠিক নীতিমালা দিয়ে এটি বিশেষ করে পিছিয়ে থাকা জনগ�