News

ইরাকে মিসাইল হামলায় নিহত শ্রাবণের মরদেহ দেশে ফিরেছে

ইর ক ম স ইল হ মলার প্রতিক্রিয়াতে ইরাকে নিহত মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরেছে ইর ক ম স ইল হ মলার ঘটনার পর কার্যত এক বছর পরে ইরাকে নিহত প্রবাসী

Desk News
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইর ক ম স ইল হ মলার প্রতিক্রিয়াতে ইরাকে নিহত মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরেছে

ইর ক ম স ইল হ মলার ঘটনার পর কার্যত এক বছর পরে ইরাকে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ দেশে ফিরেছে। এ মরদেহ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে যেখানে স্থানীয় সময় প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি ছিল। ইর ক ম স ইল হ মলার সময় শ্রাবণ বাগদাদের একটি কারখানার কর্মচারী হিসেবে কাজ করছিলেন এবং এ ঘটনার কারণে তার পরিবার একটি গভীর শোকে আবেষ্টিত হয়েছে। তার দেহ পৌঁছার পর সরকার এবং বিদেশ মন্ত্রক তার প্রতি গুরুতর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

মৃত্যুর কারণ এবং বাড়ি ফিরে আসা

গত ২৭ মে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে শ্রাবণের মরদেহ বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে টার্কিশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে পাঠানো হয়। তিনি বাগদাদে প্রবাসী জীবন অতিবাহিত করেন ১০ বছর ধরে, এ সময় তিনি বিশেষ করে আই সি ই স ই ল হ কারখানায় নিযুক্ত ছিলেন। মৃত্যুর ঘটনার পর তার পরিবার জানায় যে তিনি স্বাস্থ্য অবস্থার কারণে বিমানবন্দরে বাস করেন এবং সেই সময় স্থানীয় ব্যবস্থাপনার দ্বারা ইর ক ম স ইল হ মলার ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও আরও অনেক বিদেশি নাগরিক প্রভাবিত হয়েছিলেন। তার পরিবার নিশ্চিত করেছেন যে ইর ক ম স ইল হ মলার সময় তিনি নিহত হন এবং তার দেহ বাড়ি ফিরেছে এটি অসাধারণ কার্যক্রম হিসেবে গণমাধ্যমগুলোতে উল্লেখ করা হয়।

বিমানবন্দরে পৌঁছার পর দেহটি পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। শ্রাবণের মৃত্যুর পর তার পরিবার দেশে ফিরে আসার জন্য বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ইর ক ম স ইল হ মলার সময় সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে পাওয়া সামগ্রিক সহায়তা এ ঘটনার সমাধান করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি তার কর্মজীবনে ইরাকে একটি গুরুতর ঘটনার জন্য সম্মানিত হন এবং তার পরিবার তার মরদেহ পরিবারে নিয়ে আসার জন্য সরকারের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন।

ইর ক ম স ইল হ মলার প্রতিক্রিয়াতে বাংলাদেশ জাতীয় বিমানবন্দরে মরদেহটি অবতরণ করা হয়। তার পর দেহটি দীর্ঘ ২৯ ঘণ্টা সময় পর বাংলাদেশে পৌঁছেছে। এ ঘটনার পর বিদেশ মন্ত্রক দাফন-কাফনের খরচ বাবদ পরিবারকে প্রতিদান দিয়েছে। তিনি বাগদাদে প্রবাসী জীবনে এ ঘটনার কারণে অনেক বিদেশি নাগরিক সহ একটি আর্থিক সমস্যা সমাধান করেছেন। স্থানীয় বাসিন্তা ছিলেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্তা শ্রাবণ ছিলেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্তা। তার দেহ পৌঁছার পর পরিবার তার প্রতি আরও গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

বিমানবন্দরে মরদেহটি গ্রহণ করেন বিদেশ মন্ত্রক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, “শ্রাবণের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর দুঃখিত হয়েছি। ইর ক ম স ইল হ মলার প্রতিক্রিয়াতে আমাদের গুরুতর সমবেদনা প্রকাশ করছি।” তি�

Leave a Comment