News

​চামড়া পাচারের সুযোগ নেই, এবার রেকর্ড সংরক্ষণের আশা: বাণিজ্যমন্ত্রী | সংবাদ

বাণিজ্যমন্ত্রী পাচার বন্ধ করে সংরক্ষণ আশা ব্যক্ত চ মড় প চ র র স - বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা করেছেন যে কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার কোনো

Desk News
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাণিজ্যমন্ত্রী পাচার বন্ধ করে সংরক্ষণ আশা ব্যক্ত

চ মড় প চ র র স – বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা করেছেন যে কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, পাচারের পথ বন্ধ রাখায় এবার বেশিরভাগ চামড়া সরাসরি ট্যানারি পর্যন্ত পৌঁছবে। এ কারণে প্রতিবছরের তুলনায় এখন চামড়া সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে অনেক বেশি।

চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারের প্রস্তুতি

মন্ত্রী জানান, চামড়া নষ্ট বা পাচার না হতে পারে এনে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি বলেন, “যে স্থানগুলিতে চামড়া জমা হয়, সেগুলির প্রতিটি কেন্দ্রে আমাদের সর্বক্ষণ যোগাযোগ রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যেখানে কর্মকর্তারা দিন-রাত কাজ করছেন। এছাড়া প্রতিটি জেলা প্রশাসক এবং বিসিক কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চামড়া অক্ষত রাখা এবং সময়মতো লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা, যেন এগুলো রপ্তানি করা যায়। ঢাকা এবং প্রতিটি জেলার সদরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টিমগুলি মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। ফলে চামড়া পাচারের কোনো সুযোগ নেই।”

যারা চামড়া সংগ্রহের পর দ্রুত লবণ মাখিয়ে ক্রেতার কাছে নিয়ে যাবেন, তারাই চামড়ার প্রকৃত মূল্য পাবেন বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, “কোরবানির পর কয়েক ঘণ্টা মধ্যে যদি চামড়ায় লবণ মাখানো না হয়, তবে তা নষ্ট হতে শুরু করে।”

চামড়া শিল্প নগরীতে অবতরণ শুরু

ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সাভার চামড়া শিল্প নগরীর ট্যানারিগুলিতে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া আসতে শুরু করেছে। নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাঈয়ান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত সাভার শিল্পনগরীতে মোট ৩৪১টি ট্রাকে করে ৭৯ হাজার ২১৮টি কাঁচা চামড়া প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া ৭৫ হাজার ৫১৫টি এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়া ৭০৩টি রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে চামড়াবাহী ট্রাকের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হরিণধরা এলাকা থেকে চামড়া শিল্প নগরী পর্যন্ত একমুখী চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিসিক, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। দিন-রাত দুই শিফটে ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন এবং এক ঘণ্টা পর পর মাঠ পর্যায়ে টহল কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তিনি জানান, সাভারের সিইটিপি-র সমস্যা সমাধান করা হবে। এছাড়া হাজারীব

Leave a Comment