ঈদের কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু
ঈদ র ক ন ক ট শ এর তার স্বামী ও মেয়ের আঘাতে পরিবারের দুঃখে আবার এক নম্বর লাইনে অন্য ট্রেন দাঁড়িয়েছিল
ঈদ র ক ন ক ট শ এর এক পরিবার মৃত্যুর সামনে বাড়ি ফেরার স্বপ্ন দেখেছিল কিন্তু দুঃখের সাথে এই স্বপ্নটি মৃত্যু নিয়ে পরিবর্তিত হয়। নরসিংদী রেলস্টেশনে পৌঁছেছিলেন সাথী বেগম (২৭) ও তার সন্তান ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেন (১৮ মাস) যখন তাঁদের সম্পূর্ণ পরিবার পোশাক কিনতে একত্রে ঘুরছিল। পরিবারের সদস্যদের সাথে অনুপ্রাণিত হয়ে সুজন মিয়া স্বামী ও মেয়ের আঘাতে কিন্তু বিপদের প্রতি সতর্কতা না পেয়ে এই মৃত্যু ঘটে।
নরসিংদী রেলস্টেশন অতিক্রম করতে যাওয়ার সময় পরিবারটি রেললাইনের ওপর চলে আসে। দ্রুতগতির কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে অসাবধানতার কারণে ঘটনার ঘটনা ঘটে। সাথী বেগম এবং ছেলে একত্রে চলেছিল যখন ওই ট্রেনটি তাদের প্রাণ নিয়ে যায়। বিপদের ঘটনাটি ঘটেছিল কিন্তু দুঃখ কেবল পরিবারের কাছে সীমিত ছিল না, পুরো এলাকার নাগরিকদের মনে ছিটকে ফেলে।
নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ বিবরণ দেন যে দুর্ঘটনার সময় প্ল্যাটফর্মে অন্য একটি ট্রেন দাঁড়িয়েছিল। স্টেশন পরিসরে অসাবধানতার কারণে পরিবারটি লাইনের ওপর চলে আসে। অসাবধানতার কারণে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি পরিবারের মৃত্যু ঘটায়। অনুমান করা হচ্ছে যে পরিবারটি রেল লাইনের ওপর চলে আসার সময় সাথে একটি ট্রেন দাঁড়িয়েছিল যে তারা তাদের প্রাণ নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায় যে দুর্ঘটনার সময় প্ল্যাটফরমে অন্য ট্রেন দাঁড়িয়েছিল। স্টেশন পরিসরে অসাবধানতার কারণে পরিবারটি লাইনের ওপর চলে আসে। ট্রেনটি পরিবারের ওপর আঘাত করে এবং সাথী বেগম ও ছেলে মৃত্যুবরণ করে। পরিবারটি পোশাক কিনতে রেলস্টেশনে আসে কিন্তু ঈদ র ক ন ক ট শ এর শেষ মুহূর্তে এই দুঃখের পরিচয় হয়।
আহত নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সাথী বেগম ও তার সন্তান ছেলে মৃত্যুবরণ করেছেন এই বিপদের পরিণতি। সংসার চালানোর জন্য তিনি কখনো ইজিবাইক চালিয়ে, আবার কখনো রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। যার সব প্রচেষ্টা কিন্তু ঈদ র ক ন ক ট শ এর শেষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঈদ র ক ন ক ট শ এর পরিবারের জীবন এবং মৃত্যু ঘটনার আগে পরিবেশের কথা
সাথী বেগম ও তার সন্তানদের জীবন নিরাপদ ছিল না সে ঈদ র ক ন ক ট শ এর সাথে স্বামী ও মেয়ের সম্পর্কে সবাই ব