গোরে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
ঈদগাহের ঐতিহাসিক মূল্যবান পরিবেশ
গ র এ এশ য় র সর – গোরে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোরে শহীদ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই স্থানটি এশিয়ার বৃহত্তম ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত, যার আয়তন ২১.৯৯ একর। এখানে সকাল সাড়ে ৮টায় নামাজ শুরু হয়, যেখানে সাড়ে ৫ লাখ মুসল্লি উপস্থিত হয়েছেন। উপলক্ষে সারা এশিয়ার মুসলিম উম্মাহ অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই স্থান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ঈদগাহের ঐতিহাসিক ময়দানে সাক্ষর করা হয়েছে ঈদ আদায়ের কাজ। পূর্বে এই স্থানে ঈদের জামাত উপলক্ষে ১৯৪৭ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হত, কিন্তু আধুনিক নির্মাণশৈলীতে সেই স্থানটি বৃহৎ পরিসরে ঈদগাহ হিসেবে পুনঃনির্মিত হয় ২০১৭ সাল থেকে। এর পরিচালনায় জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী ইমামতি করেন। এই পরিবর্তন দিনাজপুর সামগ্রিক মুসলিম জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে সক্রিয় হন
ঈদ নামাজ শুরু হওয়ার আগে মুসল্লিরা সকাল ৬টা থেকে সমবেত হয়ে যান। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে গোরে এশিয়ার সমাগম আরও শান্তি পূর্ণ ভাবে প্রতিদিন অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে অংশ গ্রহণ করেছেন মুসল্লিরা।
ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় গোরে এশিয়ার স্থান এখন সারা দেশের মুসলিম জনগণের প্রধান গোটা হয়েছে। তারা বলেন, এ অনুষ্ঠানে সারা এশিয়ার মুসল্লিরা স্বস্তি প্রকাশ করতে পেরেছেন।
প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবেদনের গুরুত্ব
গোরে এশিয়ার ঈদ জামাতে সামিল হওয়া সারা দেশের মুসলিম উম্মাহকে সম্মানিত করে এবং তাদের সংহতি বৃদ্ধি করে। এই অনুষ্ঠান দিনাজপুর সারা দেশে জাতিগত ও ধর্মগত পরিচয় প্রকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ জামাতে সংগৃহীত শ্রদ্ধার জন্য স্থানটি পূর্ব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বজায় রেখেছে।
ঈদগাহের উপরে গোরে এশিয়ার সমাগম আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নামাজ শেষে ফিলিস্তিন ও ইরান সহ বিভিন্ন দেশ ও জাতির প্রতি শান্তি কামনা করেন। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিটি ব্যক্তি দিনাজপুর সামগ্রিক মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছেন।
জনগণের অংশগ্রহণ ও মন্তব্য
গোরে এশিয়ার ঈদ জামাত উপলক্ষে সারা জেলার মুসল্লিরা বিশেষ ভাবে সমবেত হয়েছেন। তারা উপস্থিত হওয়া সময় সামগ্রিক মুসলিম জাতির গুরুত্ব প্রকাশ করতে চাইছেন। এ অনুষ্ঠান দিনাজপুরের ঐতিহাসিক ময়দানে সর্বাধিক বৃহৎ মাত্রায় অনুষ্ঠিত হয়েছে