News

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার গতি বিধি ভালো মনে হচ্ছেনা – ড. এম এম আকাশ

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার গতি বিধি ভালো মনে হচ্ছেনা - ড. এম এম আকাশ দ শ র অর থন ত ক - প্রমুখ অর্থনীতিবিদ ড.

Desk News
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার গতি বিধি ভালো মনে হচ্ছেনা – ড. এম এম আকাশ

দ শ র অর থন ত ক – প্রমুখ অর্থনীতিবিদ ড. এম এম আকাশ বর্তমান দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি গ্রামীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, মানুষের বৈষম্য দূরীকরণ এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণা করে আসছেন। তিনি বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন যেখানে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সরকারের কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না।

রাশেদ আহমেদের প্রশ্ন

রাশেদ আহমেদ: বাংলাদেশে এখন মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। গত তিন বছর থেকে মূল্যস্ফীতি পরিমাণ ৮, ৯, ১০ এর মতো দেখা যাচ্ছে। সেটি সাধারণ মানুষের মধ্যে কিন্তু একটি বড় চাপ তৈরি করে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে কথা বলেছেন সংবাদের ডিজিটাল বিভাগের বার্তা প্রধান রাশেদ আহমেদ।

রাশেদ আহমেদ: আপনি যেটি বলছিলেন উৎপাদন বৃদ্ধির কথা, সেই উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হলে দেশে বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু গত দুই বছরে বাংলাদেশের বিনিয়োগ এশিয়া মহাদেশের মধ্যে তলানিতে রয়েছে। আমাদের যে মুদ্রাস্ফীতি বলেন যেটি গ্রোথ রেট সেই তুলনায় বিনিয়োগ একেবারে নেই বললেই চলে।

ড. এম এম আকাশের উত্তর

ড. এম এম আকাশ: প্রথমত আমাদের দেখতে হবে যে মূল্যস্ফীতি ট্রিগারড হচ্ছে কোন কারণে বা তার ড্রাইভিং ফোর্সটা কী। তারপর সেগুলো কমানোর চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেছেন যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় দুটো লক্ষণ একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে – জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জিনিস অবিক্রীত থাকছে পার্চেজিং পাওয়ারের অভাবে। এই কারণে বিনিয়োগ হচ্ছে না, কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে না।

ড. এম এম আকাশ: মানুষের ইনকাম তুলনামূলকভাবে স্থির থাকছে অথবা কমে যাচ্ছে, বেকারত্ব বাড়ছে। তার ফলে আমাদের সিচুয়েশনটাকে মন্দাস্ফীতি বলাটাই সিচুয়েশনটাকে সঠিক। যেমন ধরেন আপনি ডলারের দাম যদি বাড়িয়ে দেন, এক ডলার ৮০ টাকা ছিল এখন হয়তো ১২২ টাকা হয়ে গেছে। তার মানে ডলারের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সুতরাং এটা আপনার হাতে নাই।

তিনি আরও বলেছেন যে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানিকৃত কাঁচামালের দাম বেড়ে গেছে, ট্রান্সপোর্ট খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইন্টারমিডিয়েট প্রোডাক্টসের দাম ও জ্বালানির দাম উন্নত হয়েছে। এই কারণে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন এটাকে ফাইট করতে গেলে পরে আপনাকে টাকা কমালে তো হবে না কারণ ডিমান্ড না থাকলেও ওর চেয়ে কম দামে ও বিক্রি করবে না।

ড. এম এম আকাশ

Leave a Comment