বৃষ্টি ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪৭ কিলোমিটার যানজট | সংবাদ
ব ষ ট র সঙ গ অত – বৃষ্টি ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট বিস্তার পেয়েছে। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের চন্ড্রা এলাকায় বৃষ্টির প্রভাব দেখা দেয়ার ফলে সড়ক পূর্ণ হয়ে গেছে। তীব্র জামাল ও পার্শ্ব যাতায়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু যাত্রী। বুধবার ভোররাত থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত এলাকার সড়ক একমুখী যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন স্থানে বাধা হয়েছিল।
যানজটের কারণে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত যাওয়া সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ও নাটিয়াপাড়া থেকে গোড়াই পর্যন্ত দুই কিলোমিটার পরিমাণ পথে গাড়ি প্রায় অগ্রগতি বন্ধ হয়ে গেছে। নারী, শিশু এবং বয়স্ক যাত্রীদের বিশেষ কষ্ট হচ্ছে যেহেতু সড়কে গাড়িগুলো অগ্রসর হতে পারছে না। বৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিস্থিতি সংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণ প্রস্তুত করা হয়েছে।
যাত্রীদের দুর্ভোগ বর্ণনা
পাবনাগামী যাত্রী আফাজ মিয়া বলেন, “চন্ড্রা থেকে সড়ক পার হতে দেড় ঘণ্টা লাগতে পারে বলে আমরা প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার পর থেকে পুরো যানজট লেগে আছে। পথ পার হতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় নেয়া পর্যন্ত আমাদের কাছে খুব বেশি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ছিল।”
নাটোরগামী নারী যাত্রী খোদেজা বেগম জানান, “আমি টাঙ্গাইলের যাত্রীদের সাথে একটি অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখেছি। বৃষ্টি ও গাড়ির চাপ দুই কারণে পার হওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়েছে। যানজটের কারণে আমাদের সময় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বেশি বাড়িয়েছে।”
পরিস্থিতি বর্ণনা
টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ি বিকল হওয়ার কারণে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপ সংক্রান্ত ক্ষতি দেখা দিয়েছে। গাজীপুরের চন্ড্রা এলাকায় সকাল আটটা পর্যন্ত আটকে থাকা গাড়িগুলো সাথে সাথে যানজট দেখা দেয়। মঙ্গলবার রাতে থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা এবং নাটিয়াপাড়া থেকে গোড়াই পর্যন্ত বৃষ্টি ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপ নিয়ে দুই দফায় যাতায়াত বাধ্যতামূলক হয়েছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, “ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত গাড়ির চাপ কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সকালের বৃষ্টি আর সড়ক ভাঙচুর দুই কারণে যাত্রীদের কষ্ট হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক পুনঃনির্মাণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং সাধারণ চলাচল ফেরত পেয়ে যাবে।”
বৃষ্টির সঙ্গে অতিরিক্ত গাড