ভোটার তালিকা নতুন করে যাচাই হবে: আইনি ব্যবস্থা ও বিপক্ষের প্রতিবাদ
ভ ট র ত ল ক নত – ভোটার তালিকার পুনর্যাচাই প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুসারে বৈধ হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে নির্বাচন কমিশনের সাধারণ ইন্টান্সিভ রিভিশন প্রক্রিয়া আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী দুটি আইনসম্মত ধাপে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন, যেখানে তারা বলেছেন যে নির্বাচন কমিশন আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করেছে এবং এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে ত্যাগ করা নামগুলি সম্পূর্ণ বৈধ। আইনের আর্টিকেল ৩২৪ এবং রিপ্রেসেন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট সম্পূর্ণ রক্ষা করে ভোটার তালিকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ কার্যকর।
এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ এবং প্রয়োগ
ভোটার তালিকার পুনর্যাচাই প্রক্রিয়া ৩০ মে থেকে শুরু হবে। সেই প্রক্রিয়ায় যারা ২০০২ বা ২০০৩ সালে ভোটার তালিকায় নাম পাওয়া হয়নি তাদের সম্পর্কে প্রমাণ প্রদানের জন্য কাজ শুরু হবে। আদালতের নির্দেশে আধার কার্ড গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার ফলে গ্রামীণ এবং শহরের মানুষের জন্য সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। প্রক্রিয়াটি বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।
ভোটার তালিকা পরিবর্তনের বাস্তব পরিস্থিতি
বিহারে এই প্রক্রিয়া জুন মাসে বাস্তবায়ন করা হবে, যেখানে পূর্বে প্রায় ৬০ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে অপসারিত হয়েছে। সম্প্রতি সংশোধনের পরিণতি অনুমান করা হচ্ছে যে ত্যাগ করা নামগুলি মৃত ব্যক্তি বা পরিবর্তিত মালিকানার কারণে ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গেও এই ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে, যেখানে পুনর্যাচাই প্রক্রিয়া সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে চালানো হবে। সেই সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে যাতে ভোটার তালিকা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয় না।
বিরোধী দলগুলি শুরু থেকেই ভোটার তালিকা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। তারা অভিযোগ তুলেছিল যে এটি এনআরসি সদৃশ একটি ব্যবস্থা। বিপ