ইস্তফায় ক্ষোভ উগরে দিলেন ডা. কাকলি
অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ করেছে সাংসদের ইস্তফা
ইস তফ য় ক ষ ভ উগর – তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যমগ্রাম জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার রাজনৈতিক বৃত্তির মধ্যে গৃহীত পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এ ইস্তফা সাংগঠনিক দিক থেকে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলের অন্দরের সমস্যার প্রতি গৃহীত বিশ্লেষণ করে বলা হচ্ছে। নির্বাচনে জেলায় খারাপ ফলের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর ইস্তফার বার্তা সাধারণত স্বীকৃতির চেয়ে বেশি সূচনা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বারাসাত জেলার সাংগঠনিক পদ থেকে ছিন্ন হওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সামনে আচমকা বৈঠকে ইস্তফা প্রকাশ করেন। সেই টাইমিংটি সূচিত করেছে যে এটা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং অন্তরের ভাবনার প্রকাশ। তাঁর খোলা চিঠিতে দুর্নীতি, বিলাসী জীবনযাপন ও ভূঁইফোড় ভোট কৌশলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ রেখেছেন। সেই সাংসদ তৃণমূলের কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলে জানানো হয়েছে।
পুরনো সৎ কর্মীদের ফিরিয়ে আনার আবেদন করেছেন কাকলি। তাঁর এই বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দরজায় সরাসরি পৌঁছেছে।
অনুগত্য বজায় রেখেও তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে স্পষ্টভাবে। বিজেপির দিকে ঝুঁকে তাঁর সম্ভাবনা এখন আলোচ্য বিষয়। কিন্তু স্পষ্টত তিনি প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। সেই কারণে এটা সরাসরি দলত্যাগের চিহ্ন বলা বাড়াবাড়ি হবে।
সারকথা হলো, কাকলির ইস্তফা সাংগঠনিক ক্ষেত্রে মাত্র সীমাবদ্ধ নয়। এটি তৃণমূলের অন্দরে জমাট দেওয়া অস্বস্তির প্রতিফলন। রাজনৈতিক সংকট যত বাড়ে, তত বাস্তব হয়ে ওঠে দলবদলের সম্ভাবনা। কাকলির পরবর্তী পদক্ষেপে আসল প্রাচুর্য বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।