ঈদের ছুটি মৌলভীবাজারে আগাম বুকিংয়ের হার কমে গেছে
ঈদ র ছ ট ত ম লভ – পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে মৌলভীবাজার জেলার হোটেল-রিসোর্টগুলো পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু এবার সাধারণত দেখা যাচ্ছে যে আগাম বুকিংয়ের হার অনেক কম।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন যে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতের কারণে পর্যটক সমাগম কম হতে পারে। শ্রীমঙ্গলের নভেম ইকো রিসোর্টের হিসাব বিভাগের ব্যবস্থাপক অংকুর দত্ত বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার আগাম বুকিং কম হয়েছে। আরও কিছু পর্যটক বুকিং করেছেন কিন্তু তা বাতিল করেছেন। বড় রিসোর্টগুলোতে আগাম বুকিং শতাংশ হয়নি।
“আগাম বুকিং গত বছরের তুলনায় অনেক কম হয়েছে এবং কিছু পর্যটক বুকিং করেছেন কিন্তু তা বাতিল করেছেন।” – অংকুর দত্ত
বর্ষাকাল হওয়ায় মৌলভীবাজার জেলা অনেক আকর্ষণীয় রূপ ধারণ করেছে। শীত মৌসুমে তুলনায় এই সময়ে পর্যটন স্থানগুলো বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্ষায় পাহাড়ের প্রকৃতি প্রাণ ফিরে পায়। চা বাগান সবুজ হয়ে ওঠে। মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাতে পানির প্রবাহ বেড়ে গেছে। এছাড়াও হাকালুকির বিশাল হাওর ও বড় ঢেউয়ে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো খুব আকর্ষণীয়। বর্ষার ভারী বৃষ্টিতে চা বাগানের দৃশ্য অপূর্ব হয়ে ওঠে।
মৌলভীবাজারে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। যেমন, দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, চা জাদুঘর, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল, নীলকণ্ঠ সাত রঙের চা কেবিন, মাধবপুর লেক, রাজনগরের কমলারানীর দিঘি এবং কুলাউড়ার গগন টিলা সহ অনেক স্থান।
ঈদের সময়ে এসব এলাকার ইকো কটেজ ও হোটেলগুলো নতুন সাজে সেজেছে। খাবারের মেন্যুতে বৈচিত্র্য যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বিরূপ আবহাওয়ার পাশাপাশি দেশজুড়ে হামের সংক্রমণজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন যে পর্যটকদের প্রবেশে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছে।
হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের তথ্য অনুযায়ী ছোট ইকো কটেজগুলোতে আগাম বুকিং বড় রিসোর্টগুলোর তুলনায় বেশি হয়েছে। অ্যান্ড ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল আলম বলেন, ‘ঈদে দীর্ঘ ছুটি থাকলেও বিদেশি পর্যটক পাওয়া যায়নি। শ