দিনাজপুর নাট্য সমিতির ঐতিহ্য ও নতুন প্রযোজনা
শতবর ষ ন ট য সম ত – ১৯১৩ সাল থেকে দিনাজপুর নাট্য সমিতি উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিবেশে স্থান নিয়েছে। বিশেষ করে মাসব্যাপী নাট্যোৎসব আয়োজনের মাধ্যমে তারা সুদীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ সংস্কৃতির কাজে সমৃদ্ধ হয়েছে। করোনাকালের ধাক্কায় সামগ্রিক ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এই নতুন প্রযোজনা ‘লুড়ুং’-এর মাধ্যমে সমিতি আবারও তাদের কাজের ক্ষমতা ফিরিয়েছে।
নাটকের ধারণা এবং সমাজের উপজীব্য
প্রযোজনাটির রচয়িতা ও নির্দেশক তারিকুজ্জামান তারেক বলেন, নাটকটি বাস্তব জীবনের গল্প সম্পর্কে চিন্তা করে রচিত হয়েছে। শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের সাথে আদিবাসী সংস্কৃতির মূল শক্তি তুলে ধরা ছিল এই কাজের প্রধান লক্ষ্য। নাটকে নারী শক্তির মূল্যবান ভূমিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যা সমাজের অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
“বাস্তব জীবনের গল্প ও আদিবাসী সংস্কৃতির মূল শক্তিকে তুলে ধরাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য,” রচয়িতা ও নির্দেশক তারিকুজ্জামান তারেক জানান।
মঞ্চস্থ কাহিনি ও কর্মীদের ভূমিকা
বাংলার অন্যতম প্রাচীন নাট্যদলের মঞ্চে মঞ্চস্থ হয়েছে কুরুখ ভাষায় রচিত নাটক ‘লুড়ুং’। এই কাহিনির কেন্দ্রবিন্দু ছিল ওঁরাও সম্প্রদায়ের বঞ্চনা এবং অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। শোষকের বিরুদ্ধে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের সাথে সামান্য পার্থক্য সত্ত্বেও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক লড়াইয়ের চিত্র এখানে বিস্তারিত করা হয়েছে।
নাটকটির মঞ্চায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন সজল, উদয় দাস, শিউলী বাড়া ও মাধুরী বাড়া। সামগ্রিক আলোক পরিকল্পনার জন্য সম্বিত সাহা এবং আবহ সংগীতে তারিকুজ্জামান তারেক দায়িত্ব পালন করেছেন। চরিত্রগুলি পূর্ণ করেছেন কোরাইশা আক্তার স্মৃতি, শিউলী বাড়া, মাধুরী বাড়া, দীপা বিশ্বাস, মেঘা ঘোষ, ইয়াসমিন টুডু, নয়মী টপ্প, প্রিয়া তিরকি ও নীহারিকা সরকার।
উদ্বোধনী প্রদর্শনী এবং সমাপন
২৪ মে রাত আটটায় নাট্য সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দর্শকদের এক ঘণ্টা বেশি অপেক্ষা করতে হয়। আয়োজক কর্তৃপক্ষ প্রতিব