বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন
ব শ বব জ র ত ল – বিশ্ববাজারে তেলের দামে সামান্য অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। এই হ্রাস সংঘটিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের যুদ্ধ সমাপ্ত হওয়ার পর থেকে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা জানায় যে তেলের দামে প্রবল কমতি দেখা গেছে। ব্রেন্ট ফিউচারের দাম জুলাই মাসে সোমবার (২৫ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১টা ৫ অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে। এটি এক মাস আগের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, যদিও যুদ্ধ শুরুর আগের দামের তুলনায় এখনও এক-তৃতীয়াংশের বেশি পরিমাণে রয়েছে।
বাজারে দামে পতনের কারণ বিশ্লেষণ
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে কারণ পৃথিবীর প্রধান তেল বাণিজ্য প্রণালি হরমুজ প্রণালির অবরোধ অবিলম্বে বাতিল হয়েছে। ইরান নভেম্বরে যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার পর থেকে এই প্রণালিতে ব্যাপক কমতি ঘটেছে। এটি বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ থেকে ১.১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে আসার কারণ হল এই সংকটের সমাপ্তি। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দামে পতনের প্রভাব বিস্তারিত হতে পারে। প্রতিদিনের লেনদেনে এই হ্রাস স্থায়ী নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। নিক্কেই সূচকের রেকর্ড কমতির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে পরবর্তী মাসে আবার বাজারে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টার জ্যেষ্ঠ তেলবাজার বিশ্লেষক জুন গোহ আল-জাজিরাকে বলেন, “মূল পরিস্থিতি হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পাবে। এর কারণ হল হরমুজ প্রণালির অবরোধে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল।” তিনি আরও বলেন, “বাজার আশা করছে �