ঈদ উপলক্ষে বৃদ্ধি পেয়েছে ছয় ধরনের অপরাধ: সান্নিধ্যে পুলিশ-র্যাবের প্রতিহিংসা
ঈদ সক র য় ৬ ধরন র – ঈদের আগমনে দেশজুড়ে ছিনতাই, ডাকাতি ও চুরি দুর্ঘটনাগুলি বৃদ্ধি পেয়েছে। অজ্ঞান ও মলম পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে পুলিশ ও রাজনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থার অবিলম্ব ক্রমে সর্বোচ্চ তৎপরতা অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে পশুবাহী গাড়ি ছিনতাই, বাসাবাড়িতে চুরি এবং জাল টাকা চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াকলাপ চালু করা হয়েছে।
ঈদের আবেদন কারণে সক্রিয় হয়ে ওঠা ছয় ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদর দপ্তর বিশেষ পরিকল্পনা প্রবৃদ্ধি করেছে। সামনে রেখে জাল টাকা চক্রে বিস্তার রোধে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কড়া নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য প্রায় ১৬ হাজার মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিদিন প্রায় ৬০টি বিশেষ টহলদল অবস্থান করছে। নগদ অর্থ প্রবাহিত এলাকায় বিপুল সংখ্যক সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্য অবস্থিত।
ঈদের নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ সদর দপ্তর প্রতিদিন পোশাকধারী পুলিশ ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা বাহিনী কাজ করছে। এসপি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশের সক্রিয়তা দ্বারা অপরাধীদের বিপর্যয় বাধা দেওয়া হবে।
গত বুধবার রাতে সিলেটের বিশ্বনাথ হতে তিনটি কোরবানির গরু চট্টগ্রাম দিকে যাওয়ার পর পিকআপ গাড়ি ছিনতাইয়ের শিকার হয়। পরবর্তীতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে গরু উদ্ধার করে।
ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বংশালের আগা সাদেক রোডে মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে গরুগুলি উদ্ধার করা হয়। তিনটি গরুর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
অপরাধীদের বিপর্যয় দমনে পুলিশ ও র্যাবের কঠোর অবস্থান আশা করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় বিস্তারিত নজর