হাইকোর্ট মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ গবেষণা করার জন্য ছয় মাসের সময় নির্ধারণ করেছেন
ম ব ইল ট ওয় র র – মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন নিয়ে চিন্তা জাগিয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। হাইকোর্ট বাংলাদেশ টেলিকম অথরিটি (বিটিআরসি) কে মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ সম্পর্কে গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত এই গবেষণার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও পশুপাখি স্বাস্থ্যের ঝুঁকি পরিমাপ করতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুঁয়া সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ হাইকোর্টের নির্দেশ দিয়েছে।
আদালত গবেষণার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে
পরিবেশবাদী সংগঠন এইচআরপিবি দাবি করেছে যে মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন সম্পর্কে কম পরিমাণে তথ্য প্রস্তুত হয়েছে। আদালত এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২ ডিসেম্বর হবে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ নিয়ে বিশেষ করে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি পরিমাপ করা প্রয়োজন।
“ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন মাত্রা কমানো হয়েছে। বাংলাদেশে সেই প্রক্রিয়া গৃহীত হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম,” মনজিল মোরসেদ বলেন।
বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান মোবাইল টাওয়ার বিকিরণের ক্ষতি পরিমাপের জন্য তার মতামত ও লিখিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তাঁর গবেষণার ভিত্তিতে আদালত মোবাইল টাওয়ার গাইডলাইনে স্কুল ও কলেজের অঞ্চলে টাওয়ার স্থাপন না করার নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে বিটিআরসি মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ ক্ষতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুত হবে। এই গবেষণা দেশের সাধারণ মানুষের আশঙ্কা ও পরিবেশ সংক্রান্ত ঝুঁকি বিবেচনায় তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরে স্কুল এলাকায় টাওয়ার স্থাপন প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষেধ করা হয়েছিল।
মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ গবেষণার মূল লক্ষ্য
মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ ক্ষতির মাত্রা নির্ণয়ে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। আদালত এই বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেছেন যে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংক্রান্ত ঝুঁকি তুলে ধরা আবশ্যক। বিটিআরসি পরিষ্কার তথ্য সংগ্রহ করে আরও কঠোর প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ বাস্তবায়ন করতে পারবে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে মোবাইল টাওয়ার বিকিরণের প্রকৃত ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা হবে।
সংগঠনগুলোর আবেদন অনুযায়ী হাইকোর্ট এখন পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল টাওয়ার বিকিরণ সম্পর্কে অস্পষ্টতা দূর করতে চেয়েছেন। আজকের গবেষণার ফলে আগামী বছরে মোবাইল টাওয়ার বিকিরণের সংক্রমণ কমানোর জন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের সম্মুখী