ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু
ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করা হচ্ছে
ট র ন র ছ দ ভ – ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ বন্ধ করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যা ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফিরে আসা যাত্রীদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার ফলে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা হবে, যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ আসন্ন উৎসবের কারণে যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার কবির হোসেন জানান যে, এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতনতার সাথে পরিচালনা করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য কমপক্ষে ১১টি আন্তঃনগর ট্রেনে কাজ করছে নতুন ব্যবস্থা। নিরাপত্তা বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রদানের জন্য স্টেশন থেকে যাত্রীদের অবহিত করা হয়েছে যাতে তারা সম্পূর্ণ বুঝতে পারেন নতুন নিয়মগুলো।
সামগ্রিক পরিকল্পনা কি কি বিস্তারিত করা হয়েছে?
ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ বন্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তাব্যবস্থা সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করছে। প্রথম স্তরে যাত্রীদের দৃঢ় আবেদন করা হয়েছে, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে স্টেশনে গুরুতর বিষয়গুলো বিশেষ ব্যবস্থা দ্বারা পরিচালিত হবে, যেমন পরিদর্শন এবং পরীক্ষা পরিচালনা। তৃতীয় স্তরে হাজার হাজার যাত্রীদের সুরক্ষা প্রদান করতে নিরাপত্তা কর্মীদের আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার ফলে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ বন্ধ করার জন্য বিশেষ উপায় প্রয়োগ করা হবে।
“ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকানোর জন্য আমরা এখন সাতটি ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ করছি। এগুলো হলো গুরুতর কারণে ট্রেনে দৃঢ় ব্যবস্থা বিধিনিষেধ করা, যাত্রীদের আবেদন করা, এবং সংকটের ক্ষেত্রে অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রয়োগ করা।”
বিশেষ ব্যবস্থার কাজে লাগছে কী কী কর্মী?
ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে কর্মীদের প্রায় ২০০ জন নিয়োগ করা হয�