বড়াইগ্রামে জিনের বাদশা সিন্ডিকেট ও তাদের প্রভাব
বড় ইগ র ম জ ন র – নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চৌমহন গ্রামে একটি কথিত ‘জিনের বাদশা’ নামক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যা দিশেহারা প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তিদের বেশি প্রভাবিত করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চক্রে বড় ইগ র ম জ ন এলাকার মধ্যে কমপক্ষে ৩৭ জন কথিত ‘জিনের বাদশা’ এবং তাদের সহযোগীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অর্থ চুরি করে আসছে। আধ্যাত্মিক ক্ষমতার ভাবনা দিয়ে তারা ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে বিশ্বাস জন্ম দেয়।
প্রবাসীদের মাঝে তাদের ঘাটতি
বড় ইগ র ম জ ন থেকে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিরা অভিযুক্ত চক্রের সামনে নিজেদের সম্পত্তি হারিয়েছেন। সৌদি আরবে থাকা দয়াল খানের কন্যা সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি মূলত বড় ইগ র ম জ ন স্থানে প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলেন। ইমরান নামক এক ব্যক্তি কথিত জিনের বাদশার সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিলেন এবং মেয়েটির সুস্থতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু বিপুল টাকা দেওয়ার পর চিকিৎসার কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি, বরং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে।
তাদের কাছে টাকা দিলে হুমকি
বড় ইগ র ম জ ন এলাকার কথিত জিনের বাদশারা বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে প্রবাসীদের হুমকি দিয়ে চিকিৎসা বাড়ি দিতে আহ্বান জানায়। একজন অভিযুক্ত কর্মকাণ্ড করে টাকা পেলে পরে পরিবারের আর্থিক ক্ষতি ঘটেছে। দয়াল খান বলেন, তার কন্যা সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিয়েও সমাধান পেনি না।
গ্রামের নেতা হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠা
বড় ইগ র ম জ ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কথিত জিনের বাদশ