News

কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সর্বাত্মক সংস্কারের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সর্বাত্মক সংস্কারের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর কল য ণম খ র ষ ট - অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে

Desk News
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সর্বাত্মক সংস্কারের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

কল য ণম খ র ষ ট – অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সর্বাত্মক সংস্কারের ঘোষণা করেছেন, যা দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নতি ও মানবিক উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে গণতান্ত্রিক অর্থনৈতিক সংস্কার সম্পূর্ণ নতুন ধারণার সাথে আবর্জনা থেকে সর্বাত্মক ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ আলোচনায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ প্রস্তাবের প্রয়োগ ও লক্ষ্যে বর্ণনা করেন।

কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সর্বাত্মক সংস্কারের ঘোষণার মাধ্যমে সরকার গ্রামীণ কামার-কুমার ও তাঁতি শ্রমিকদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ত্তীর্থে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে ডিজিটাল অটোমেশনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাজারে সফট পাওয়ার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এ প্রকল্পে আর্থিক সংস্কার এবং প্রশাসনিক গুরুত্ব যুক্ত হয়েছে যাতে সব নাগরিক সেবা সুবিধাজনক হতে পারে।

সর্বাত্মক সংস্কার প্রকল্প অর্থ ও ব্যবস্থার নতুন আকারে পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ কর্মসূচি অর্থ নীতি প্রণয়নে গণতান্ত্রিকীকরণ ও নতুন বিনিয়োগ চাহিদার প্রতি প্রাধান্য দেখাবে। সব নাগরিক সেবাগুলি প্রদানের জন্য প্রকল্পগুলি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক মনিটরিং এর সংস্কার করা হবে। এছাড়া সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম গহনা ও কৃত্রিম গহনা ক্ষেত্রে নতুন প্রকল্প ও ফান্ড বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রকল্পগুলির বিস্তার ও প্রয়োগ

অর্থমন্ত্রী বলেন যে সর্বাত্মক সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠার পর্যন্ত প্রতিদিন মনিটর করা হবে এবং সময়মত বাস্তবায়নের নিয়ম স্থাপন করা হবে। সব সেবাগুলি প্রদানের জন্য সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করবে এবং কৃত্রিম গহনা ও আর্থিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ থেকে ৯ শতাংশ সুদের ব্যাংক ঋণ বিকল্প চালু করা হবে। প্রকল্পগুলির প্রয়োগ ও সফলতা অর্থ নীতি প্রণয়নের সঠিক পরিচালনার উপর ভিত্তি করে নির্ভর করবে।

পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটের শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ নীতি প্রণয়নে কর আদায়কারী নয়, বরং বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে। কর

Leave a Comment