উদ্ধোধনের সাড়ে পাঁচ মাসেই বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়
সরকারের পদক্ষেপকে আদালত অবমাননা বলে আখ্যায়িত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির
উদ ধ ধন র স ড় প – সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বাতিল করার সিদ্ধান্ত কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ থেকে শুরু করে সরকারের কাছে পৌছেছে। এ কার্যক্রমের সমাপন ঘটেছে সচিবালয়ের উদ্বোধনের সাড়ে পাঁচ মাস পরে। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশে জারি করা আইন মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব সহ মোট ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।
“আদালত সারপ্রাইজড হয়েছেন। সারপ্রাইজড হয়ে বারবার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন, আপনারা আমাদের সামনে কোর্টে এসে বলেছেন কোর্টের ডিজায়ারটা সেদিন রিসিভ করেছেন। বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেল নিজে হাজির ছিলেন। তাহলে এই সমস্ত কাজ কেন করছেন?”
তার পরে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সচিবালয়ের কার্যক্রম চলতি বছরের ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করা হয়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সহ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সচিবালয় বাতিলের কারণে আইনজীবীদের প্রতিবাদ ছড়িয়েছে
সরকার বিচার বিভাগের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি করার জন্য সচিবালয় বিলুপ্ত করেছে বলে আখ্যায়িত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির। তিনি ঘোষণা করেন, আগামী ৭ জুনের মধ্যে আপিল করা হলে হাইকোর্টে আইনি লড়াই শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া বাতিল করে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত প্রদানের পর সচিবালয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
“আদালত সারপ্রাইজড হয়েছেন। সারপ্রাইজড হয়ে বারবার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন, আপনারা আমাদের সামনে কোর্টে এসে বলেছেন কোর্টের ডিজায়ারটা সেদিন রিসিভ করেছেন। বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেল নিজে হাজির ছিলেন। তাহলে এই সমস্ত কাজ কেন করছেন?”
সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি নিয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠার সময় কোর্টের প্রশাসনিক ভবনে কাজ করার প্রজ্ঞাপন। আদালতের ইচ্ছার প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা দেখানো হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। “এই ধরনের আচরণ সিরিয়াসলি কনটেম্পচুয়াস। আমরা কনটেম্পট নোটিসও দিয়েছি। আগামীকালকেই একটি কনটেম্পট পিটিশন দায়ের করব এই ব্যাপারে।”
ন্যাশনাল লয়ার্স অ্যালায়েন্স সচিবালয় বাতিলের সিদ্ধান্তে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনের নেতা জহির�