গলা কেটে হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তি আসামির
গল ক ট হত য র আগ – গলা কেটে হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এমন ঘটনার পরিচয় পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, সোহেল রানা শিশুটিকে টয়লেটে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং পরে তাকে গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করে। ঘটনাটি সামাজিক চোখে একটি ভয়াবহ ছায়া ছড়িয়ে দিয়েছে যে গলা কেটে হত্যার আগে ধর্ষণ ঘটেছে।
বিস্তারিত ঘটনার বিবরণ
পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে সোহেল রানা বাড়িতে নিয়ে আসে। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবার ও প্রতিবেশীরা তার পাশে আসে। কিন্তু তখন সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে ঢুকিয়ে রাখে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সিআইডিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ঘটনার পর স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে হাজির করা হয়েছে দুই আসামি। সোহেল রানা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেয়। তাকে আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রতিবেশী ও পরিবার তার মৃত্যুর পর এক শিশুর আত্মীয় হিসেবে প্রতিবেশীদের মধ্যে দ্রুত সংবাদ প্রচার করে।
স্বপ্না আক্তার হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তার কারাগারে আটক রাখার আবেদন পুলিশ জানায়। পরিবার স্বীকারোক্তি দিতে প্রস্তুত হয়েছে এবং মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আ