টিকা সংকটের আগেই চিঠি ও বৈঠকের তথ্য খুলে পড়লো
ট ক স কট র আগ ই – দেশে হামের ভয়াবহ আক্রমণ চালু হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে যখন ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স নতুন তথ্য সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বুধবার (২০ মে) গণমাধ্যমকর্মীদের বৃত্তি করে এ কথা জানান।
টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল
রানা ফ্লাওয়ার্স আরও বলেন, তারা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এবং কর্মীদের সঙ্গে কমপক্ষে দশ বার বৈঠক করেছে। প্রতিবারই টিকা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি এ আশঙ্কা বিস্তার করেন।
“আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ থেকে ছয়টি চিঠি পাঠিয়েছি, যার মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক আগে পৌঁছেছিল।”
তিনি আরও জানান, চিঠিগুলির সম্পর্কে তার হাতে সুনির্দিষ্ট তারিখ নেই। তবে তিনি মনে করেন যে ক্রমাগত সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
টিকার ক্ষেত্রে উন্মুক্ত দরপত্র সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়
টিকা কেনায় বিলম্বের কারণ হিসেবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেন রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছিল।”
“বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকা থাকলে আপনাকে সবচেয়ে সস্তা টিকার পেছনে ছুটতে হবে না।”
তিনি আরও বলেন যে গত দুই বছর ধরে ইউনিসেফ টিকা সংকটের পূর্বাভাস দিয়ে আসছিল।
অতিরিক্ত কর্মসূচি বাদ পড়ছে দেখা গেল
টিকাদান প্রক্রিয়া ক্ষেত্রে অনেক বছর ধরে প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ শিশু ক্ষেত্রে বাদ পড়ে যাচ্ছে বলে অনুমান করেন রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি এ সংখ্যাকে ‘মোটা দাগের অনুমান’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
“আমরা খতিয়ে দেখব কেন অনেক বছর ধরে শিশুদের একত্রিত করে টিকাদান কাজ করছে না।”
তিনি একটি নতুন পদ্ধতি প্রস্তাব ক