মধুপুরে কচি তালের শাঁস জনপ্রিয়তা লাভ করছে
মধ প র জনপ র য় হচ – মধ প র জনপ র য় হচ্ছে এখন জনপ্রিয়তার নতুন পর্যায়ে উন্নতি ঘটছে। গ্রামবাংলার আত্মীয়স্বজনের দাওয়াত বাদ দিলে তালের রস আর পিঠা যেন অপূর্ণ থাকত। একসময় ভাদ্র মাসে তালের পিঠা তৈরির ধুম পড়ত এবং তালের রস ছাড়া আত্মীয়স্বজনের আমন্ত্রণ অপূর্ণ থাকত। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়া, জলবায়ু পরিবর্তন এবং তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে সেই পুরোনো চিত্র এখন ম্লান হয়ে আসছে। এই পরিবর্তন বর্তমানে মধ প র জনপ র য় কচি তালের শাঁস উপভোগ করার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে যেমন মধুপুর জনগণ আবার এই পুরানো পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করছেন।
মধুপুরে তালের শাঁস বিক্রি বৃদ্ধির পটভূমি
তালের শাঁসের জন্য মধুপুরে নাগরপাড়া গ্রামের বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন স্থানে এই প্রাকৃতিক খাবার সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। শাঁসের দাম সাধারণত ৫ থেকে ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সারা দিন শাঁস বিক্রি করে কোনো বিক্রেতা প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে। মধ প র জনপ র য় হয়েছে কচি তালের শাঁস বাজারে প্রতি দিন চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা উপভোগকারীদের স্বাস্থ্যে উপকার করছে।
নাগরপাড়া গ্রামের বিক্রেতা সাব্বির হোসেন বলেন, ‘একটি তালে তিন-চারটি আঁটি থাকে। প্রতি আঁটি প্রায় ১০ টাকায় একটি তাল বিক্রি করা যায়। অথচ পাকা তাল ঝরে পড়ার ভয় থাকে এবং চাহিদা অনুযায়ী দামও পাওয়া যায় না।’ মধ প র জনপ র য় বৃদ্ধির সাথে সাথে তালের শাঁসের জন্য এখন বিশেষ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিক্রেতারা এটি প্রাকৃতিক খাবার হিসেবে প্রচার করছেন যেখানে রাসায়নিক মেশানোর সুযোগ নেই। এটি নিরাপদ খাবার হিসেবে প্রতিটি পরিবারের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।
তালের শাঁস বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে আবার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে
তালের শাঁস একটি বীজজাতীয় ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্�