নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বেলাবোতে বিক্ষোভ
ন র র ন র পত ত – নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন বিপর্যস্ত করে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে বেলাবোতে বিশাল সংখ্যক মানুষের সংখ্যা অনুপ্রানিত হয়েছিল। এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বেলাবো সাংগঠনিক জেলা শাখার আয়োজনে, যার মূল লক্ষ্য ছিল নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতি সার্বিক গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রতি ঘটনার সঠিক তদন্ত করার দাবি জানানো। বিক্ষোভ সমাবেশে বিভিন্ন বিষয়ে পরিবার ও গণপরিসরের সাথে সংযুক্ত হয়েছিল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা।
সভাপতিত্ব ও বক্তব্য
সমাবেশের সভাপতি ছিলেন সংগঠনের সদস্য রুবি আক্তার, যিনি বক্তৃতার মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের মানুষের দুঃখ ও আতঙ্কের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদা শারমিন সঞ্চালনা করেন, কিন্তু সভার মুখ্য বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজরীন হক হেনা। তিনি নারীদের সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি আহ্বান জানান। লিগ্যাল এইড সম্পাদক রোকসানা আক্তার ও আন্দোলন সম্পাদক মিনতী রানী সূত্রধর সমাবেশে উপস্থিত হন। পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা বেগম এবং ব্রাঞ্চ এক্সিকিউটিভ আশীষ কুমার শীল সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন।
সভার বক্তারা জানান, দেশের যে কোন প্রান্তে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ঘটনা দৈনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরিবারের মধ্যে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যন্ত সম্পূর্ণ সমাজে নারীদের নিরাপদ হওয়া নিশ্চিত করতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তি প্রয়োগের দরকার।
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক শামসুর হক কাজল বলেন, আমাদের দেশে শিশু নির্যাতন বৃদ্ধির সাথে সাথে নারী ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রতিক্রিয়া ক্ষীণ হয়ে আসছে। সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে এবং সামাজিক মানসিক চাপের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের সম্পর্কে অনুসন্ধান
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত মানুষের মধ্যে সামাজিক অনুসন্ধানের দরকার বলে জানানো হয়। বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের সরকার ও আইন বিষয়ক সংস্থা সম্পর্কে এ সম্পর্কে পরিসংখ্যান দেখানো হয়। উল্লেখযোগ্য ভাবে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের বিষয়টি সার্বিক চেতনার জন্য মানুষের মধ্যে সমাজ ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
বিক্ষোভ অন